সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের পাথর নিক্ষেপে স্পিডবোটের এক চালক আহত হয়েছেন। এ সময় অভিযান পরিচালনাকারী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে পিছু হটতে হয়। পরে পুনরায় অভিযান চালিয়ে এক ড্রেজার মালিককে আটক করা হয়।
শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সত্রিশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রবিউর রায়হানের নেতৃত্বে শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত যাদুকাটা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়। রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সত্রিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২টি স্টিলবডি নৌকা ও ৩টি ড্রেজারবাহী কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
এ সময় কয়েকশত স্থানীয় লোক নদীর পাড়ে জড়ো হয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী টিমকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। এতে স্পিডবোটের চালক আহত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেটকে সাময়িকভাবে পিছু হটতে হয়।
পরে নৌপুলিশ ও বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সহায়তায় পুনরায় অভিযান চালিয়ে ২টি বাল্কহেড ও ১টি ড্রেজারবাহী নৌকা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে মিলন মিয়া (৪৫) নামে এক বাল্কহেড মালিককে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৯০ দিনের কারাদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মিলন মিয়া বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সত্রিশ গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ তরফদারের ছেলে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, “গত ২৬ এপ্রিল থেকে টাস্কফোর্স অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”





