সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়ের করা পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ সংক্রান্ত এক মামলায় শোয়েব আহমেদ (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শোয়েব আহমেদ জেলার তাহিরপুর উপজেলার শিমুলতলা গ্রামের গুলজার মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একটি মিষ্টির দোকানের কর্মচারী।
পুলিশ সূত্র জানায়, টিকটকের মাধ্যমে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে শোয়েবের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে তাঁরা সুনামগঞ্জ শহরের কালীবাড়ি মোড় এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান করেন। একইভাবে ১৭ ডিসেম্বরেও ওই হোটেলে তাঁরা একসঙ্গে সময় কাটান।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর অজান্তে তাঁর ব্যক্তিগত কিছু ছবি ও ভিডিও কৌশলে নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ ও সংরক্ষণ করেন অভিযুক্ত। পরবর্তীতে প্রবাসী স্বামী ওমান থেকে দেশে ফিরলে ওই নারী অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেন।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর স্বামীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। এতে ভুক্তভোগী নারী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে ভুক্তভোগী দম্পতি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, পিপিএম জানান, অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই জহির হোসেনকে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় তাহিরপুর থানাধীন বাদাঘাট এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।





