গাজার উদ্দেশে যাত্রা করছে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র একমাত্র অক্ষত জাহাজ ম্যারিনেট। ফ্লোটিলার অন্য সব জাহাজকে ইসরায়েলি বাহিনী আটক করলেও এখনো ভেসে চলেছে পোল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি। আজ শুক্রবার আল–জাজিরার খবরে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটিতে রয়েছেন ছয়জন আরোহী। তাঁদের মধ্যে তুরস্কের মানবাধিকারকর্মী সিনান আকিলতু আছেন। তিনি আজ ভোরে জাহাজ থেকে একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমরা এখন উচ্চ ঝুঁকির এলাকায় প্রবেশ করেছি। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা দুটি মহৎ পরিণতির যেকোনো একটির দিকে অগ্রসর হচ্ছি।”
ফ্লোটিলার লাইভ ট্র্যাকারের তথ্যে জানা যায়, ভোরের দিকে ম্যারিনেট ভূমধ্যসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল। এ সময় জাহাজটি সূর্যোদয়ের সঙ্গে এগোচ্ছিল। ভোর চারটার দিকে এর গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৩ দশমিক ৭৮ নট বা সাত কিলোমিটার। তখন এটি গাজার আঞ্চলিক জলসীমা থেকে প্রায় ৪৩ নটিক্যাল মাইল (৮০ কিলোমিটার) দূরে অবস্থান করছিল।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে, গাজার দিকে যাওয়া যেকোনো নৌযানকে আটক করা হবে। তাঁদের ভাষায়, “যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ ও অবরোধ ভাঙার যেকোনো চেষ্টা প্রতিহত করা হবে।”
ম্যারিনেটের ক্যাপ্টেন গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে জানান, জাহাজটির ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে তা মেরামত করা হয়েছে এবং জাহাজটি গাজার অভিমুখেই এগোচ্ছে।
ফ্লোটিলার আয়োজকেরা অভিযোগ করেছেন, বহরের ৪২টি জাহাজকে অবৈধভাবে আটক করা হয়েছে। যাত্রীদেরও বন্দী করা হয়েছে। তারপরও ম্যারিনেট পিছু হটছে না। তাঁদের ভাষায়, “ম্যারিনেট শুধু একটি জাহাজ নয়, এটি ভয়, অবরোধ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ়তার প্রতীক।”
এখনো স্টারলিংকের মাধ্যমে সংযুক্ত আছে ম্যারিনেট বলে জানিয়েছে ফ্লোটিলা আয়োজকেরা।




