সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় এডিপির একটি টেন্ডার লটারির ছবি ঘিরে উপজেলা বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নেতা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান আহমদ বলেন, একটি সাধারণ ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল উপজেলার হলরুমে এডিপির একটি টেন্ডার লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৪৭ জন ঠিকাদার অংশ নেন। রায়হান আহমদ এলজিইডির নিবন্ধিত ঠিকাদার হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। লটারির সময় তিনি অন্য এক ঠিকাদারের পাশে বসেন।
পরে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে এনআরবি এন্টারপ্রাইজের মালিক সমজুল ইসলাম বাবুল এবং হুজাইফা এন্টারপ্রাইজের মালিক রায়হান আহমদকে পাশাপাশি বসা অবস্থায় দেখা যায়। এ ছবি ঘিরে দাবি করা হয়, রায়হান আহমদ নাকি আওয়ামীপন্থী এক ঠিকাদারের সঙ্গে বসে তাঁর লাইসেন্স ব্যবহার করে দরপত্রে অংশ নিয়েছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। জানা গেছে, হুজাইফা এন্টারপ্রাইজ রায়হান আহমদের নিজস্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই নিয়ম অনুযায়ী দরপত্রে অংশ নেন।
অন্যদিকে সমজুল ইসলাম বাবুল বলেন, তিনি পেশাদার এলজিইডি ঠিকাদার হিসেবে কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঠিকাদারের সঙ্গে বসেন। তাঁর দাবি, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
রায়হান আহমদ বলেন, ‘একটি স্বাভাবিক ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচার অনাকাঙ্ক্ষিত।’ তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।




