আগামী ১ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন ভিসার (বি১/বি২) ফি বাড়তে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে গত মাসে ‘বিগ বিউটিফুল বিল’ নামে একটি আইন পাস করে মার্কিন কংগ্রেস। সেখানে দেশটির পর্যটন ভিসার ফি ২৫০ ডলার বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। আগে পর্যটন ভিসার ফি ছিল ১৮৫ ডলার। সেটি আরও ২৫০ ডলার বাড়ানোয় মোট ফি দাঁড়িয়েছে ৪৩৫ ডলারে। এতে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন পর্যটন ভিসার ফি ১৩৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বাংলাদেশি অর্থে ৪৩৫ ডলার প্রায় ৫৩ হাজার টাকার সমান। শুক্রবার (২২ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম ইউএসএ টুডে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউএসএ টুডে জানিয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নতুন ফি ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হবে। তবে আইনিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থবছর ১ অক্টোবর থেকেই এটি কার্যকর হওয়ার কথা। এমনটি হলে পুরো বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন ভিসার ফি হবে সর্বোচ্চ। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, নতুন ফি হয়ত ফেরতযোগ্য। কিন্তু কীভাবে এ ফি ফেরত দেওয়া হবে সেটির কোনো পরিষ্কার কাঠামো বা নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে যা পরিষ্কার সেটি হলো—যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের খরচ বাড়তে যাচ্ছে।
ইউএসএ টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পাঁচজনের একটি পরিবার যদি যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে যেতে চায়, তাহলে তাদের শুধু ফি বাবদ খরচ করতে হবে ২ হাজার ডলার (প্রায় আড়াই লাখ টাকা)। এরমাধ্যমে মূলত পর্যটন ভিসাকে নিরুৎসাহিত করা হবে। এই ফি বৃদ্ধির বিষয়টি কেবল যারা ছুটি কাটাতে যান তাদের ওপরই প্রভাব ফেলবে না, বরং ২০২৬ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকেও প্রভাব ফেলতে পারে। দর্শক থেকে শুরু করে অ্যাথলেট সবার ওপর বাড়তি চাপ ফেলবে এত বেশি ফি। বিশেষ করে স্বল্পআয়ের দেশের সাধারণ মানুষ ও অ্যাথলেটরা এসব বিশ্ব আয়োজন উপভোগ অথবা অংশগ্রহণে অর্থনৈতিক বাধার মুখে পড়তে পারেন।




