নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় আজিমুল কাদের ভূঁইয়া হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মামলা রুজুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চোরাই মুরগি বিক্রির চার লাখ টাকা এবং নিহতের ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক আটটার দিকে বেলাব উপজেলার বীর বাঘবের গ্রামের বাসিন্দা আজিমুল কাদের ভূঁইয়া (৪১) নিখোঁজ হন। পরে ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁর মালিকানাধীন মুরগির ফার্মসংলগ্ন একটি বর্জ্য ফেলার ডোবা থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বেলাব থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ্-আল-ফারুকের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনার পরপরই ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে এসআই শেখ মো. জসিম উদ্দিন ও এসআই মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল কিশোরগঞ্জ জেলায় অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, অভিযানের অংশ হিসেবে ৩১ জানুয়ারি দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ জেলা থেকে প্রমন তালুকদার ওরফে প্রিমন (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে নিহত আজিমুল কাদের ভূঁইয়ার ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি আবুল কালাম (৪৫) কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে চোরাই মুরগি বিক্রির চার লাখ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন প্রমন তালুকদার ওরফে প্রিমন (২১), পিতা মো. সাইফুল ইসলাম, বাড়ি হাটসিরা, ফতেপুর, মদন থানা, নেত্রকোনা এবং আবুল কালাম (৪৫), পিতা মৃত হেলাল উদ্দিন, বাড়ি কায়েস্ত পল্লী, কটিয়াদী থানা, কিশোরগঞ্জ।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে চোরাই মুরগি বিক্রির চার লাখ টাকা ও নিহতের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন। গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।





