যুক্তরাজ্যের মিডল্যান্ডস অঞ্চলের Wolverhampton City Council-কে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গত বছরে কাউন্সিলটি ৪২ হাজারের বেশি ট্যাক্সি ও প্রাইভেট হায়ার লাইসেন্স প্রদান করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লাইসেন্স পেয়েছেন পূর্বে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা।
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, মোট ৪৩৮ জন আবেদনকারীর অপরাধের রেকর্ড ছিল। এদের মধ্যে ১৫৮ জন সহিংস অপরাধে দোষী, ৬১ জন মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে, ৩৬ জন মদ্যপ অবস্থায় অপরাধে এবং ৪ জন যৌন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত।
এত বিপুল সংখ্যক লাইসেন্স প্রদানের কারণে ওলভারহ্যাম্পটনকে এখন অনেকেই যুক্তরাজ্যের “ট্যাক্সি রাজধানী” হিসেবে উল্লেখ করছেন। অন্যান্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তুলনায় এই কাউন্সিলের লাইসেন্স প্রদানের হার অনেক বেশি হওয়ায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
তবে কাউন্সিলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি আবেদন কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে অনুমোদন দেওয়া হয় এবং প্রতিবছর হাজার হাজার আবেদন বাতিল করা হয়। তাদের দাবি, জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে সমালোচকদের অভিযোগ, বর্তমান লাইসেন্সিং ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং এতে যাত্রীদের ঝুঁকি বাড়ছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সরকারও নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে এবং লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় সংস্কারের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে ট্যাক্সি লাইসেন্সিং নীতিমালা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।




