সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা ১২০ বস্তা চাল প্রাথমিকভাবে বৈধ বলে ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় মালিকপক্ষকে অর্থদণ্ড করে জব্দকৃত চাল ফেরত দেওয়া হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাজপুর বাজারে অবস্থিত ‘আয়ান অ্যান্ড ইয়াকুব বিরিয়ানি হাউজে’ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশা এ সিদ্ধান্ত দেন।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১২০ বস্তা চাল জব্দ করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা। পরে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপজেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউএনও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় সরকারি কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির চাল ক্রয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করা হলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে চালগুলো বৈধভাবে ক্রয় করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ফুডগ্রেইন সনদ না থাকায় মালিকপক্ষকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং চাল বাজারজাতের অনুমতি দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আল মাছুম আবির দাবি করেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও চাঁদাবাজদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। প্রশাসনের তদন্তে তাঁর ক্রয় করা চালের বৈধতা প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।




