টানা অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে লাখাই উপজেলা-র ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ৪০ থেকে ৫০ হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া আরও ৬০ থেকে ৭০ হেক্টর জমি অর্ধ-নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ১নং ইউনিয়নের স্বজনগ্রাম, সন্তোষপুর, কৃষ্ণপুর, শিবপুরসহ বুল্লা ইউনিয়নের হাওরাঞ্চলে পাকা বোরো ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানির সঙ্গে জোয়ারের প্রভাব মিলিয়ে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ধান কাটতে পারছেন না। ফলে বোরো ধানের উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষক আনজব আলী জানান, “আমার ছয় কানি জমি পানির নিচে চলে গেছে। জমিতে পানি থাকায় মেশিন দিয়ে ধান কাটা যাচ্ছে না, আবার শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না।”
কুমারুন সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার আলামিন মিয়া বলেন, তার প্রকল্পের আওতায় থাকা কিছু জমিও পানিতে তলিয়ে গেছে।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামাল মিয়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে বলেন, কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পাওয়া গেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, তিনিও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয় যুবসমাজকে ধান কাটায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।




