কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে, মাছ চাষ সম্প্রসারণ এবং পরিবেশ রক্ষায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
শনিবার (১০ মে ২০২৬) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের দাসের হাট এলাকায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) এর আওতায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “শুকনো মৌসুমে কৃষকরা এই খাল থেকে পানি পাবে কৃষিকাজের জন্য। খালে মাছ চাষ করা হবে এবং খালের পাড়ে গাছ লাগানো হবে। ফলে খালটি মানুষের বহুমুখী উপকারে আসবে।”
তিনি আরও বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি যুগান্তকারী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। দীর্ঘদিন তা বন্ধ ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা আবারও সেই কার্যক্রম চালু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছর ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রামের চারটি খাল চিহ্নিত করা হয়েছে, যার একটি আজ উদ্বোধন করা হলো।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এ প্রকল্পের আওতায় আরাজী পলাশবাড়ী মৌজার দাসের হাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার ঘনফুট মাটি কাটার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ প্রকল্পে ১১৯ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। প্রতিদিন প্রত্যেক শ্রমিককে ৫০০ টাকা করে মজুরি দেওয়া হবে। শ্রমিকদের মজুরি বাবদ প্রায় ২৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ ১০ মে শুরু হয়ে আগামী ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।





