জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন— কৃষক-শ্রমিক ও ছাত্র-জনতার একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। ইনসাফ ও মর্যাদার বাংলাদেশ, সেই বাংলাদেশর জন্য লড়াই করছে। প্রিয় বন্ধুগণ। আমরা জানি, জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিস্ট শ্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল। সে সময় হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাজপথে নেমে এসেছিল। তারা আহত ও শহীদ হয়েছে। আমরা তাদের স্মরণ করছি ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
শুক্রবার (৪ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ডে জেলা শহরের আর্টগ্যালারি মডেল মসজিদে নামাজ শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। এতে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, আবু সাঈদ লিওন ও ঠাকুরগাঁও জেলার প্রধান সমন্বয়ক গোলাম মুর্তজা সেলিমসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা মনে করি, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এখনো হয়নি। আগের সিস্টেম রয়ে গেছে। ফলে সেই সিস্টেমকে বিলোপ করে নতুন দেশ গঠনের লক্ষ্যেই এই নতুন পার্টি ও আমাদের কর্মসূচি। এনসিপির কার্যক্রম সারা দেশে চলছে। আপনারা আমাদের হাতকে শক্তিশালী করবেন। তরুণ এবং বিকল্প নেতৃত্বকে বেছে নেবেন। জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র, মৌলিক সংস্কার, গণহত্যার বিচার, মৌলিক সংস্কার ও নতুন সংবিধানের জন্য আমরা লড়াই করছি। অবশ্যই জুলাই ঘোষণাপত্র জুলাই-আগস্টের মধ্যে দিতে হবে বলে জোর দেন তিনি।

বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইনের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, এটা হাসিনার বাংলাদেশ নয়, এটা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ছাত্র-জনতার বাংলাদেশ। বাংলাদেশপন্থিদের হাতেই বাংলাদেশ চলবে। ফলে যে কোনো মূল্যে আমরা সীমান্ত হত্যা বন্ধ করবো। উত্তরবঙ্গে ঠাকুরগাঁওসহ যে অবহেলিত জেলাগুলো রয়েছে এইসব জেলাতে কোনো আঞ্চলিক বৈষম্য থাকবে না, অর্থনৈতিক বৈষম্য থাকবে না। উন্নয়ন বলতে শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক হবে না। যেদিন এই অবহেলিত জেলাগুলোতে উন্নয়ন হবে। সেদিনই আমাদের কাছে উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য হবে।




