সিলেট টেস্টের শেষ সেশনে অবশেষে স্বস্তির ব্রেক-থ্রু পেয়েছে বাংলাদেশ। খাদের কিনারা থেকে পাকিস্তানকে টেনে তুলে ম্যাচ জমিয়ে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা। দলীয় ২৯৬ রানে সালমানকে বোল্ড করে এই প্রতিরোধ ভাঙেন তাইজুল। এতে ভাঙে রিজওয়ানের সঙ্গে ১৩৪ রানের জুটি। ফেরার আগে সালমান খেলেছেন ৭১ রানের ইনিংস। সালমানকে ফেরানোর পর পরের ওভারে তাইজুল ফিরিয়ে দেন হাসান আলীকেও। রানের খাতাই খুলতে পারেননি হাসান।
এর আগে ১৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান যখন দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় কাঁপছিল, তখন প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা। চা-বিরতি থেকে ফিরে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং করে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর রীতিমতো ছড়ি ঘোরান এই দুই ব্যাটার। রিজওয়ান ৮৬ বলে তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। তার দেখাদেখি দারুণ খেলতে থাকা সালমান আলী আগাও ওয়ানডে স্টাইলে মাত্র ৭৪ বলে ক্যারিয়ারের ১২তম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এই দুজনের জোড়া ফিফটি ও শতরানের জুটিতে চড়ে পাকিস্তান ম্যাচ জয়ের অসম্ভব স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল।
এর আগে সোমবার তৃতীয় দিনের কিছু সময় বাকি থাকতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ৩৯০ রানে। তবে প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানের লিড মিলিয়ে তাদের পুঁজি দাঁড়ায় ৪৩৬ রান। জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ৪৩৭ রান।
প্রায় দেড়শ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রেকর্ড গড়েছিল। অ্যান্টিগায় ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৪১৮ রান তাড়ায় ক্যারিবীয়দের জয় ৩ উইকেটে। এ ছাড়া আরও তিনবার চারশ’র বেশি লক্ষ্য তাড়ায় জয়ের রেকর্ড রয়েছে। তবে বাবর-রিজওয়ানদের জিততে হলে গড়তে হবে নতুন বিশ্বরেকর্ড।




