সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে ৫ জন নিহত এবং আরও ৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে এসব ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ও ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আবুল কালাম (২৮), জামালগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামের নুর জামাল (৩০), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২২), একই উপজেলার রহমত উল্লাহ এবং দিরাই উপজেলার কেরোয়া গ্রামের লিটন মিয়া (৩৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের টগার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কলেজছাত্র হাবিবুর রহমানের মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় আব্দুল কাইয়ুম (২৫) ও অমর হোসেন (২০) আহত হন। এ ছাড়া জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর-ইসলামপুর গ্রামে বজ্রপাতে জয়নাল হক, তাঁর ছেলে রহমত উল্লাহ এবং শিখা মনি আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক রহমত উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন এবং অন্য দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তাহিরপুর উপজেলার গাজীপুর গ্রামে হাসের খামারে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে আবুল কালাম নিহত হন এবং নুর মোহাম্মদ নামে আরেক শ্রমিক আহত হন।
জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরের নিলক্যা এলাকায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নুর জামালের মৃত্যু হয় এবং তোফাজ্জল হোসেন (৫০) আহত হন।
অন্যদিকে, দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের একটি হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়ার মৃত্যু হয়।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নওশাদ আহমেদ ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারাও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।





