বাংলা মেইলের ওয়েবসাইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের গোপনীয়তা নীতি ও ব্যবহারের শর্তাবলি মেনে চলুন।
এক্সেপ্ট
বাংলা মেইল | Bangla Mailবাংলা মেইল | Bangla Mailবাংলা মেইল | Bangla Mail
  • প্রচ্ছদ
  • বার্মিংহাম সংবাদ
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা
    • সিলেট
    • চট্টগ্রাম
    • রংপুর
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • খুলনা
    • ময়মনসিংহ
    বাংলাদেশআরও দেখুন
    মৌলভীবাজারে ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হাসপাতালের যাত্রা শুরু

    মৌলভীবাজারে মানসম্মত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে…

    জায়েদ আহমেদ। মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
    নবীগঞ্জে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৬০) নামে…

    আবু ছা‌লেহ মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী। হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
    সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ জন নিহত, আহত ৫

    সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে ৫ জন নিহত এবং আরও ৫…

    জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া
    বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণী, আত্মহত্যার হুমকি

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক তরুণী। শনিবার…

    মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল। কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
    শ্রীমঙ্গলে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জন গ্রেপ্তার

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পৃথক অভিযানে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।…

    তিমির বনিক
  • রাজনীতি
    রাজনীতি
    আরও দেখুন
    শীর্ষ সংবাদ
    নির্বাচনী রূপরেখা তৈরি করছে ইসলামি সমমনারা
    আগস্ট ২৭, ২০২৫
    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ইরানের খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত
    মার্চ ২, ২০২৬
    বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টির আত্মপ্রকাশ
    বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টির আত্মপ্রকাশ
    এপ্রিল ১৭, ২০২৫
    সর্বশেষ সংবাদ
    দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ: সুনামগঞ্জে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ
    এপ্রিল ১৬, ২০২৬
    গণশুনানি করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ এমপি কামরুলের
    এপ্রিল ১২, ২০২৬
    টেন্ডার লটারির ছবি ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ বিএনপি নেতার
    এপ্রিল ৮, ২০২৬
    কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র নির্বাচনে আলোচনায় সাইয়েদ আহম্মেদ বাবু
    এপ্রিল ৪, ২০২৬
  • আন্তর্জাতিক
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • কানাডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • যুক্তরাজ্য
  • কমিউনিটি সংবাদ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলাধুলা
  • সম্পাদকীয়
  • শিল্প-সাহিত্য
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • গল্প
    • ছড়া
  • ভিডিও সংবাদ
  • ছবি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্য-জীবনযাপন
  • সংবাদ পাঠানোর নিয়মাবলি
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ব্যবহারের শর্তাবলি
পড়ছেন ইসলাম পাতা : ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা— ইসলামি জ্ঞানের ক্ষেত্রে নব্য ফিতনা?’
Font Resizerঅআ
Font Resizerঅআ
বাংলা মেইল | Bangla Mailবাংলা মেইল | Bangla Mail
  • প্রচ্ছদ
  • বার্মিংহাম সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • কমিউনিটি সংবাদ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলাধুলা
  • প্রচ্ছদ
  • বার্মিংহাম সংবাদ
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা
    • সিলেট
    • চট্টগ্রাম
    • রংপুর
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • খুলনা
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • কানাডা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • যুক্তরাজ্য
  • কমিউনিটি সংবাদ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলাধুলা
ফলো করুন
স্বত্ব © ২০২৫ বাংলা মেইল
Ad imageAd image
ইসলাম

ইসলাম পাতা : ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা— ইসলামি জ্ঞানের ক্ষেত্রে নব্য ফিতনা?’

বাংলা মেইল ডেস্ক
বাংলা মেইল ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৫
শেয়ার
Ad imageAd image
  • আমার দেশের ধর্ম ও ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা : ইসলামি জ্ঞানের ক্ষেত্রে নব্য ফিতনা?’

আমরা এমন এক যুগে এসে পৌঁছেছি, যেখানে তথ্য পাওয়া যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি বিভ্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। প্রযুক্তির আশীর্বাদ যে কতখানি সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে, তা যেমন অস্বীকার করার নয়, তেমনি এই প্রযুক্তিরই অপব্যবহার বা অপবিন্যাস যখন ঈমানি বিষয়গুলোর মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটায়, তখন তা আর নিছক প্রযুক্তি থাকে না—পরিণত হয় এক চুপিসারে ঘিরে ফেলা ফিতনায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর কোনো কল্পবিজ্ঞানের বিষয় নয়। এটি আমাদের প্রতিদিনের জীবনের অঙ্গ—কখনো মোবাইল অ্যাপে, কখনো খবরে, কখনো সোশ্যাল মিডিয়ায়, আবার কখনো আমাদের পড়াশোনার টেবিলেও। প্রাথমিকভাবে মানুষ এটি গ্রহণ করেছে একটি স্মার্ট প্রযুক্তি হিসেবে, যা কাজের গতি বাড়ায়, বিশ্লেষণে সহায়তা করে এবং প্রশ্নের উত্তর মুহূর্তেই হাজির করতে পারে। কিন্তু ধর্মীয় জ্ঞানের মতো সূক্ষ্ম, দ্বীননির্ভর ও আমানতপূর্ণ বিষয়ে যখন এই প্রযুক্তি আধিপত্য বিস্তার করে, তখন প্রশ্ন জাগে—আমরা কি ভুল পথে হাঁটছি?

আরও পড়ুন

‘এক বাক্স এক ক্যান্ডিডেইট’ নীতিতে কার্যকর ঐক্য গড়ে তোলার আহবান
গুমের শাস্তি সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড রেখে আইনের খসড়া নীতিগত অনুমোদন
ইরান ইসরায়েল সংঘাতে কোন অবস্থানে চীন ও রাশিয়া
  • আজকের পত্রিকা ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘বৃষ্টির বর্ণনা কোরআন ও হাদিসে যেভাবে এসেছে’

বৃষ্টি মানবজীবনের এক অতি প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে। জমিনে ফোটে ফুল-ফসল। প্রকৃতি পায় সজীবতা। এটি শুধু কৃষিকাজের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং মানুষের মনেও আনে প্রশান্তি ও স্নিগ্ধতা। বৃষ্টির শব্দ হৃদয়কে করে কোমল, মনে জাগায় নানা স্মৃতি। গ্রীষ্মের খরতাপে যখন চারদিক শুকিয়ে যায়, তখন বৃষ্টি এনে দেয় শান্তির পরশ। আবার বর্ষায় বৃষ্টি আনে জলাবদ্ধতা, জনজীবনের দুর্ভোগ। বৃষ্টি নিয়ে মানুষের আবেগ-উচ্ছ্বাস আবহমানকাল ধরেই। গল্প-কবিতা আর ছন্দ-পঙ্‌ক্তি তো বৃষ্টি ছাড়া জমেই না। সাদাকালো উপন্যাস রঙিন হয় বৃষ্টির ছোঁয়ায়। এ ছাড়া পবিত্র কোরআন এবং হাদিসেও নানাভাবে এসেছে বৃষ্টির বর্ণনা।

  • দৈনিক সময়ের আলোর ইসলাম আলোর প্রধান শিরোনাম— ‘বৃষ্টির ধারা, আল্লাহর রহমত ও শাস্তির নিদর্শন’

ঋতুবৈচিত্র্যের দেশ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। শীত, গ্রীষ্ম, শরত, হেমন্ত, বসন্ত ঘুরে আসে বর্ষা ও বৃষ্টি। বৃষ্টির সময় সমগ্র দেশ যেন নবজন্মের আনন্দে ভিজে ওঠে। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ফলে জুন থেকে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ষাকাল শুরু হয়। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প বহন করে নিয়ে আসে। জুন-জুলাই মাসে সারা দেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। সারা দেশ ভরে ওঠে সবুজে ও সজীবতায়। বৃষ্টি মহান আল্লাহর রহমত। কখনো কখনো গজব হিসেবেও আসে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস। আল্লাহর হুকুম ছাড়া ঝড়-বৃষ্টি বর্ষিত হয় না। আবার আল্লাহর হুকুম ছাড়া ঝড়-বৃষ্টি বন্ধও হয় না। পবিত্র কুরআনে তিনি বলেন, ‘তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল সৃজন করেছেন এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে অতঃপর তা দ্বারা তোমাদের জন্য ফলের রিজিক উৎপন্ন করেছেন এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলাফেরা করে এবং নদ-নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন’ (সুরা ইব্রাহিম : ৩২)। বৃষ্টি নিয়ে কুরআন-হাদিসের আলোকে আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে এখানে।

  • দৈনিক কালবেলার ইসলামের বেলার প্রধান শিরোনাম— ‘দারিদ্র্যের মাধ্যমে মুমিনের পরীক্ষা’

সচ্ছলতা ও দারিদ্র্য পৃথিবীর সমাজ জীবনে আবহমান কালের বাস্তবতা। মহান আল্লাহ প্রদত্ত সম্পদে প্রাচুর্যপূর্ণ হয়ে কেউ আল্লাহর রাস্তায় সম্পদ ব্যয় করে থাকে। আবার কেউ অহংকারী হয়ে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এটা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য এক বিরাট পরীক্ষা। ধনাঢ্যতা যেমন বড় পরীক্ষা, তেমনি দারিদ্র্যও এক বিরাট পরীক্ষা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জানমাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।’ (সুরা বাকারা: ১৫৫)। দারিদ্র্য যেহেতু একটি পরীক্ষা, অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে। জেনে রাখা উচিত, সচ্ছলতা শুধু প্রাচুর্যতায় নয়; দারিদ্র্যের মাঝেও তা লুকিয়ে থাকে, যদি ধৈর্যের সঙ্গে তাকে অনুভব করা যায়। যারা দারিদ্র্যের মাঝেও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখে এবং ধৈর্যধারণ করে তাদের উদ্দেশে আল্লাহ বলেন, ‘যারা ধৈর্যধারণ করে কষ্ট ও দুর্দশায় এবং যুদ্ধের সময়ে, তারাই সত্যবাদী এবং তারাই মুত্তাকি।’ (সুরা বাকারা: ১৭৭)

দারিদ্র্য কখনো হতাশার কারণ নয়। এখন দেখা যায় দারিদ্র্যে নিপতিত ব্যক্তিদের চেহারা হতাশার জালে আবৃত। আমরা যখন একটু অসচ্ছল হয়ে পড়ি তখন শয়তান আমাদের অন্তরে নানা প্রকার হতাশার কারণ তুলে ধরে, যেন আমরা আল্লাহর ওপর থেকে নিরাশ হয়ে পড়ি। অনেক সময় বলে ফেলি, যদি এটা আমার হতো বা আমি যদি তাদের মতো সম্পদশালী হতাম! আল্লাহ কেন আমাকে দারিদ্র্যে পতিত করলেন (নাউজুবিল্লাহ) ইত্যাদি শুধু অহেতুক প্রশ্ন আর চাওয়া-পাওয়ার মাধ্যমে নিজেদের আল্লাহর কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিই। অথচ আল্লাহতায়ালা বলেন, “নাকি তোমরা ভেবেছ যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ এখনো তোমাদের নিকট তাদের মতো কিছু আসেনি, যারা তোমাদের পূর্বে বিগত হয়েছে। তাদের স্পর্শ করেছিল কষ্ট ও দুর্দশা এবং তারা কম্পিত হয়েছিল। এমনকি রাসুল ও তার সাথি মুমিনরা বলছিল, ‘কখন আল্লাহর সাহায্য আসবে?’ জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী।” (সুরা বাকারা: ২১৪)

  • কালের কণ্ঠের ‘ইসলামী জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘খুলাফায়ে রাশেদা পরবর্তী মুসলিম বিশ্ব’

রাসুল (সা.)-এর পরবর্তী সময় খুলাফায়ে রাশেদিনের শাসনামলকে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার এক গৌরবময় অধ্যায়রূপে বিবেচনা করা হয়। এই যুগটি ছিল সাম্য, শান্তি, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পাশাপাশি ইসলাম প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রেও এটি ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত আরো সুদৃঢ় করে। উমাইয়া খেলাফত : এরপর উমাইয়া খেলাফতের সূচনা হয় ৪১ হিজরিতে, যখন মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (রা.) দামেস্ক থেকে খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ রাজবংশের শাসনামলে মোট ১৪ জন খলিফা শাসন করেন, যাঁদের মধ্যে শেষজন ছিলেন মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আল-জাদি। উমাইয়া যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন ছিল ইসলামের বিস্তার। এ সময় বহু বিজয় অর্জন হয়, যার মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হলো আন্দালুসিয়ার বিজয়। শুধু সামরিক বিজয়েই নয়, উমাইয়া খলিফারা নাগরিক জীবনেও অনন্য অবদান রেখেছিলেন। স্থাপত্য ও নগর উন্নয়ন, সেচ ও পানির খাল খনন, রাস্তা নির্মাণ ইত্যাদিতে তাঁরা আগ্রহী ছিলেন। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তাঁদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য—তাঁরাই সর্বপ্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য নিজস্ব মুদ্রা চালু করেন। জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিশেষ করে চিকিৎসা ও রসায়নের প্রতি গভীর মনোনিবেশ করেন। এ ছাড়া অনুবাদ কার্যেও তাঁরা গুরুত্ব প্রদান করেন। বিভিন্ন জ্ঞানভিত্তিক গ্রন্থ আরবি ভাষায় অনুবাদ করান, যা পরে ইসলামী জ্ঞানচর্চার দ্বারকে আরো উন্মুক্ত করে দেয়।

  • খবরের কাগজের ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর খাদ্যতালিকা উৎকৃষ্ট ডায়েট’

মেদ শরীর উপচে পড়তে চাইছে। হাঁটলে ভুঁড়ি চলে আগে। স্থূলতায় আপনার খুব দুঃখ। মানুষ কত কথাই না বলে। আড়ালে-আবডালে। ডাক্তার দেখালেন। তিনি বললেন ওজন কমাতে হবে। আপনার বয়স, উচ্চতা অনুযায়ী ওজন বেশি। ডাক্তার একটা খাদ্যতালিকা ধরিয়ে দিলেন। তালিকার সারকথা হলো, কম খেতে হবে। চর্বিযুক্ত খাবার একদম বাদ। আজ থেকে প্রায় ১৪০০ বছর আগে আমাদের মহানবি (সা.) যা বলে গেছেন, যা খেয়েছেন তিনি, সেটাই হলো সর্বোকৃষ্ট ডায়েট। রাসুল (সা.) ছিলেন সবচেয়ে বড় ডায়টেশিয়ান। দুনিয়ার শিক্ষা তার ছিল না। তবে আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষায় শিক্ষিত তিনি। ডাক্তার যে খাদ্যতালিকা দিল আপনাকে, আমাদের প্রিয় নবি (সা.) তা দিয়েছেন অনেক আগেই। তার গোটা লাইফস্টাইল শিক্ষণীয়। মুসলমানের পক্ষে তাকে অনুসরণ ব্যতীত সফলতা পাওয়া অসম্ভব। সুস্থতার জন্য তার খাদ্যতালিকা অনুসরণ করতে হবে। কেবল ঈমান, আমল নয়। রাসুল (সা.) সব ক্ষেত্রে আমাদের আদর্শ হওয়া উচিত। খাবার গ্রহণের ব্যাপারে আমরা তার অনুসরণ করি না কেন? আল্লাহ বলেন, হে নবি (মুহাম্মদ) আপনি বলে দিন, যদি তোমরা আল্লাহতায়ালাকে ভালোবাসো, তবে তোমরা আমার অনুসরণ কর। তা হলে আল্লাহতায়ালা তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দেবেন; আর আল্লাহতায়ালা অত্যন্ত ক্ষমাশীল, বড় করুণাময়। (সুরা আল ইমরান, ৩১)।

  • যুগান্তর পত্রিকার ‘ইসলাম ও জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘দুনিয়া-আখিরাতে কল্যাণ বয়ে আনে ইসলামি অর্থনীতি’

বিশ্ব আজ এক গভীর অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন। দারিদ্র্য, বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি, ঋণের চক্র ও আর্থিক বৈষম্য যেন বৈশ্বিক অভিশাপ। এ সংকটের মূল কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থান করা সুদভিত্তিক ব্যাংকিং ও আর্থিক কাঠামোই এ বিপর্যয়ের জন্য দায়ী। ইসলামি দৃষ্টিতে এ সুদভিত্তিক ব্যবস্থা শুধু একটি আর্থিক সমস্যাই নয়, বরং এটি মানবতা, ইনসাফ ও আল্লাহর বিধানের সরাসরি বিরোধী। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এখানে যেমন-ইবাদত, নৈতিকতা ও সমাজ বিধান আছে; তেমনি রয়েছে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কল্যাণকামী অর্থনৈতিক দর্শন, যা সুদের মূলোৎপাটন করে মানুষের মাঝে ন্যায়ভিত্তিতে সম্পদ বণ্টনের পদ্ধতির শিক্ষা দেয়।

  • আলোকিত বাংলাদেশের ইসলাম ও সমাজ পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘মক্কা শরিফের জুমার খুতবা; দুরুদ পাঠের গুরুত্ব ও মহিমা’

অধিক পরিমাণে দুরুদ পাঠ করা রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকারোক্তি। যে সত্যসহ তিনি প্রেরিত, তার অগাধ বিশ্বাসের স্মারক। দুরুদ পাঠের মাধ্যমে সুন্নাহ পালন হয়। যে রাসুল (সা.)-এর ওপর দুরুদ পাঠ করে, আল্লাহতায়ালা তার প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। একবার দুরুদের বিনিময়ে আল্লাহতায়ালা দশবার রহমত প্রেরণ করেন; বান্দার প্রশংসা করেন। আবু তালহা (রা.) বলেন, একদিন রাসুল (সা.) এলেন। চেহারায় খুশি খুশি ভাব। আমরা বললাম, ‘আপনাকে আজ বেশ আনন্দিত দেখছি!’ রাসুল (সা.) বললেন, আমার কাছে জিবরাইল এসেছিলেন। তিনি বললেন, হে মুহাম্মদ! আপনার রব বলেন, ‘কেউ তোমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠের পর আমার তার ওপর দশবার রহমত প্রেরণ এবং কেউ তোমার প্রতি দশবার সালাম প্রেরণ করার পর আমার তার ওপর দশবার সালাম প্রেরণ কী তোমাকে সন্তুষ্ট করবে না?’ (সুনানে নাসাঈ : ১২৯৪)।

  • দৈনিক দেশ রূপান্তরের দৈনন্দিন ইসলামের প্রধান শিরোনাম— ‘নবীজির সঙ্গে জান্নাতে থাকবেন যারা’

মানবজাতির ইতিহাসে নবীজি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ ও পথপ্রদর্শক। যিনি মানবসভ্যতার জন্য এনেছেন হেদায়াত ও মুক্তির বার্তা। তার জীবনের প্রতিটি পর্বে রয়েছে শিক্ষা, তার প্রতিটি বাক্যে নিহিত রয়েছে চিরন্তন সত্যের দিশা। সৌভাগ্যবান ছিলেন সাহাবায়ে কেরাম, যারা সরাসরি তার সান্নিধ্যে থেকে ইমান, ইবাদত, নৈতিকতা ও মানবতাবোধের শ্রেষ্ঠ পাঠ গ্রহণ করতে পেরেছিলেন। তারা নবীজির হাতে হাত রেখে জীবনকে পরিশুদ্ধ করেছেন, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়েছেন। কিন্তু আমাদের মতো মুমিনদের জন্য তার সরাসরি সান্নিধ্য এখন সম্ভব নয়। তবে এমন কিছু আমল আছে, যা পালন করলে জান্নাতে তার সান্নিধ্য লাভ করা যাবে। এমন কয়েকটি আমল উল্লেখ করা হলো।

Like this:

Like Loading...
Ad imageAd image
সংবাদটি শেয়ার করুন
ইমেইল লিংক কপি করুন প্রিন্ট
আগের সংবাদ প্রবাসীদের ভোটে ইসির ৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প
পরের সংবাদ ইতিহাস গড়ল ইতালি, প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে
মন্তব্য করুন মন্তব্য করুন

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recipe Rating




Ad imageAd image

ইমেইলে আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

মুহূর্তেই আপডেট পেতে ইমেইল দিয়ে সাবস্ক্রাইব করুন।

আপনার আরও পছন্দ হতে পারে

জাতীয়বাংলাদেশলিড

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

বাংলা মেইল ডেস্ক
জাতীয়বাংলাদেশলিড

আমার কাজ হলো ‘গ্রহণযোগ্য এবং উপভোগ্য’ নির্বাচন করা : ড. ইউনূস

বাংলা মেইল ডেস্ক
জাতীয়বাংলাদেশলিড

পতিত স্বৈরাচার এখনও দেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত : প্রধান উপদেষ্টা

বাংলা মেইল ডেস্ক
রাজনীতিলিড

টাক মাথায় চুল লাগানো, জিমে সময় কাটাচ্ছেন আ.লীগ নেতারা

বাংলা মেইল ডেস্ক
বাংলা মেইল | Bangla Mailবাংলা মেইল | Bangla Mail
ফলো করুন

 সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ নাসির আহমদ  •   স্বত্ব © ২০২৫ বাংলা মেইল    •   আইটি সাপোর্ট The Nawaz   

  • সংবাদ পাঠানোর নিয়মাবলি
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ব্যবহারের শর্তাবলি
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?

%d