প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, কিছু আন্তর্জাতিক মহল বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কে কার হয়ে কাজ করছে, আমরা জানি না। প্রচুর অর্থ ঢালা হচ্ছে, যার সুবিধাভোগী আছে বাংলাদেশে এবং দেশের বাইরে। আগামী কয়েক মাস দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সরকার সব ধরনের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো আগামী অক্টোবরের মধ্যে ‘জুলাই সনদে’ স্বাক্ষর করবে। এই সনদে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যতটা সম্ভব বেশি সংস্কার নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপ বজায় রাখা দরকার, যাতে সংসদ বসার পর তারা প্রক্রিয়াটি ধরে রাখে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার ব্যাপক প্রচারাভিযান চালাবে। এর মাধ্যমে জনগণকে ভোট দেয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত শেখানো হবে।
দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাকে একটি অত্যন্ত জটিল আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন এ বিষয়ে সোচ্চার হয়। আমি আশা করি মানবাধিকার সংস্থাগুলো আওয়াজ তুলবে যাতে ব্যাংকগুলো চুরি করা সম্পদ আশ্রয় দিতে না পারে।




