বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লিভ-ইন সঙ্গিনীর ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগে ১৯ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ত্রিপুরার বাসিন্দা ওই তরুণী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পড়াশোনার সূত্রে তিনি গুরুগ্রামে থাকতেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে একটি অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে দিল্লির বাসিন্দা অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। পরিবারের অমতে তাঁরা গুরুগ্রামে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের আলোচনা চললেও যুবকের অনাগ্রহ নিয়ে বিরোধ শুরু হয় বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, গত তিন দিন ধরে তরুণীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় অভিযুক্ত। বিয়ে নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সে উন্মত্ত হয়ে ওঠে। তরুণীর অভিযোগ, তাঁর যৌনাঙ্গে দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের চেষ্টা ও ধর্ষণের অভিযোগও দায়ের হয়েছে।
গুরুগ্রামের ডিসিপি হিতেশ যাদব জানিয়েছেন, তরুণীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রথমে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে All India Institute of Medical Sciences-এ স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখান থেকে Safdarjung Hospitalে নেওয়া হয়েছে। মেডিক্যাল রিপোর্টে তাঁর শরীরে একাধিক গুরুতর আঘাতের চিহ্ন মিলেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নির্যাতিতার মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মেয়ের লিভ-ইন সম্পর্কের বিষয়ে পরিবার কিছু জানত না। তিনি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে সে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে।




