সীমান্তে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে।
রোববার রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ ভারতের সাধারণ মানুষও চায় না। আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। কিন্তু বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক হতে পারে না।”
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হলে দিল্লিকে সহিংস মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভারতের নির্বাচন তাদের নিজস্ব বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশের কোনো বক্তব্য নেই। তবে সীমান্তে বারবার বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা করা গ্রহণযোগ্য নয়।
অনুষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাখাওয়াত হোসেন সঞ্চালনা করেন এবং সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন।
রিজভী বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। তিনি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দেশের উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তাঁদের পেশার যথাযথ মূল্যায়নের আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচিত সরকার উন্নয়ন ও উৎপাদনে অবদান রাখা সবাইকে মূল্যায়ন করবে।”
তারেক রহমান প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, অতীতের মতো “১০ টাকা কেজি চাল” বা “ঘরে ঘরে চাকরি” ধরনের অবাস্তব প্রতিশ্রুতি তিনি দেননি। তাঁর ভাষ্য, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।
দেশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের সম্পদ ও সংস্কার কাজে লাগাতে পারলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।




