‘অবৈধভাবে হলে থাকছেন ইবি শিবির নেতা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা শিবিরের এইচআরডি সম্পাদক ও আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুজাহিদ হোসাইন।
গত ১২ মে বাংলামেইল-এর অনলাইন সংস্করণে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে বাংলামেইল-এর প্রতিনিধির কাছে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
প্রতিবাদলিপিতে মুজাহিদ হোসাইন বলেন, “আমি সাদ্দাম হোসেন হলের একজন বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থী। হল প্রশাসনের নিয়ম অনুসরণ করে যথাযথ অনুমতি সাপেক্ষে প্রথমে এ হলে আবাসিকতা লাভ করি। পরবর্তীতে তৎকালীন উভয় হল প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের একজন বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীর সম্মতিতে পারস্পরিক সুবিধার্থে হল এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সেখানে অবস্থান করি।
“আমার বন্ধু শাহরিয়ার জিয়া হলে আবেদন করে ভাইভার মাধ্যমে সিটের বৈধতা লাভ করে। একইভাবে আমিও আবেদন ও ভাইভার মাধ্যমে সাদ্দাম হলে সিটের বৈধতা অর্জন করি। যেহেতু আমরা উভয়েই তখন অনার্স চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলাম, তাই আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উভয় হলের প্রভোস্ট হল পরিবর্তন না করে পারস্পরিক সম্মতিতে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে নির্দিষ্ট হলে অবস্থানের অনুমতি প্রদান করেন। এভাবে আমরা নিজ নিজ হলের পূর্ণ ফি পরিশোধ করে প্রায় দেড় বছর অবস্থান করি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রায় তিন মাস আগে আমি মাস্টার্স সম্পন্ন করে হল প্রশাসনকে অবহিত করে নিয়মতান্ত্রিকভাবে যার সিট তাকে বুঝিয়ে দিয়ে হল ত্যাগ করেছি। ফলাফল প্রকাশের আগেই আমি স্বেচ্ছায় হল ছাড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। অর্থাৎ দীর্ঘদিন আগে থেকেই আমি হলের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নই।
“এত সুস্পষ্ট বাস্তবতা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি আমার বিরুদ্ধে ‘অবৈধভাবে হলে অবস্থান’ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ বিভিন্ন অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। এসব সংবাদ সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।”
প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, এ ধরনের অপসাংবাদিকতা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ও দলীয় গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পিত অপপ্রচার। এর মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি সাংবাদিকতার নামে অপব্যবহার ছাড়া আর কিছুই নয়। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই এবং বাস্তব তথ্য উপেক্ষা করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”




