কঠোর ইমিগ্রেশন নীতি, শিক্ষা–পরবর্তী কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়া, পরিবার আনার সীমাবদ্ধতা এবং ভিসা ব্যয় বাড়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে আর আগের মতো আকর্ষণীয় গন্তব্য নয় যুক্তরাজ্য।
বিভিন্ন ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, গত এক বছরে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে—বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতে, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেলে টিউশন ফি, গবেষণা তহবিল ও ক্যাম্পাসের বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন, কঠোর নীতি তাদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনাকে অনিশ্চিত করেছে, তাই অনেকে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস ও জার্মানির মতো দেশে ঝুঁকছেন।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা—এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি ও উচ্চশিক্ষা খাতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ব্রিটিশ সরকার বলছে, কড়াকড়ি ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে “সুশৃঙ্খল ও টেকসই” করতেই।
নীতিগত অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী সংখ্যা আরও কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




