গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক তরুণী। শনিবার সকাল থেকে তিনি পৌরসভার ডহরপাড়া গ্রামে প্রেমিক সজল বালার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সজল বালা ওই গ্রামের শীতল বালার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সঙ্গীত শিক্ষক। অন্যদিকে ওই তরুণী পেশায় একজন নার্স।
তরুণীর দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে একটি ক্লিনিকে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর সজলের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সজল তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। কিন্তু পরে বিয়ের বিষয়ে জানালে সজলের পরিবার আপত্তি জানায় এবং তাঁকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে।
তরুণী আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি কোটালীপাড়া থানায় অভিযোগ করেছিলেন। তবে অভিযুক্ত পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় তাঁকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সর্বশেষ গত ১ বৈশাখে সজলের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এরপর থেকে সজল তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
শনিবার সকালে সজলের বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে জানান, সজল বাড়িতে নেই এবং তাঁকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় বিয়ের দাবি পূরণ না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দেন তিনি।
অভিযুক্তের মা অঞ্জনা বালা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর ছেলেকে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এবং বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করা হবে।
অভিযুক্ত সজল বালার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে আগে একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তবে অভিযুক্ত পক্ষ থানায় উপস্থিত না হওয়ায় অভিযোগকারীকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সফর আলী বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো নতুন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




