প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে ২০২৬- এর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের যে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন তা খেলাফত মজলিস তাৎক্ষণিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা অনেকাংশে দূর হয়েছে। এখন স্বল্প সময়ের মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আবারো আলোচনার পর নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের সুষ্পষ্ট তারিখ ঘোষণার ব্যবস্থা করতে হবে। একই সাথে জুলাই সনদের খসড়াও চূড়ান্ত করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অভ্যুত্থানের স্বপক্ষ সকল রাজনৈতিক দলের সমমর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে এবং যৌক্তিক মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা আরো দাবি করছি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই মৌলিক সংস্কার সম্পন্ন ও ফ্যাসিবাদীদের বিচার কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
রবিবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। দলের আমীরে মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, যুব বিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, ডা: আবদুর রাজ্জাক আসাদ, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মাওলানা ফারুক আহমদ ভুঁইয়া, আলহাজ আমির আলী হাওলাদার প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, যুগ যুগ ধরে ফিলিস্তিন সহ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহে গণহত্যা চালিয়ে ইসরাইল সকল প্রকার সভ্যতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। এই সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইলের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ইতিমধ্যে ইরানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক প্রতিরোধের মধ্যে পড়েছে ইসরাইল। ইরানের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ওআইসিকে অবিলম্বে জরুরি অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। আগ্রাসী ইসরাইলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জবাব আরো তীব্রভাবে দিতে হবে। ইসরাইলের পক্ষে যারা ভূমিকা পালন করবে তারা শান্তিকামী মানুষের কাছে দুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে।




