চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাবেক ছাত্রী সাবিনা ইয়াছমিনের ৩ লক্ষ টাকার চেক ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল কর্মী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে। আহসান হাবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫-১৬ সেশনের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ছাত্র।
বুধবার (২৪ জুলাই) ভুক্তভোগী এ শিক্ষার্থী চবির প্রক্টরকে লিখিতভাবে একটি অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগপত্রে সাবিনা ইয়াছমিন বলেন, তিনি গত ২৫ মার্চ রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারী মো. এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ৫৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছিলেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে এমরান সাময়িক বরখাস্ত হন। ওই ঘটনার কিছুদিন আগে চবি ছাত্রদল কর্মী আহসান হাবিব তার টাকা উদ্ধারে সহযোগিতা করার কথা বলে তার কাছ থেকে দুটি চেক নেন—একটি ১৫ লাখ এবং অপরটি ৩ লাখ টাকার।
পরে ১৫ লাখ টাকার একটি চেক ফেরত দিলেও, ৩ লাখ টাকার চেকটি আর ফেরত দেননি। চেক ফেরত চাইলে হাবিব শুরুতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং একপর্যায়ে জানিয়ে দেন, তিনি ওই চেক ফেরত দেবেন না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একাধিকবার ফোন, সরাসরি সাক্ষাৎ ও পরিবারের সদস্যের মাধ্যমেও চেকটি ফেরত চাইলে হাবিব পাত্তা দেননি এবং বারবার এড়িয়ে যান।সম্প্রতি সে চেকের টাকা হাতানোর জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে।এমন অবস্থায় চেকটা পেরত পাওয়া আবশ্যক।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত আহসান হাবীব বলেন,এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এই বিষয়ে সাহায্য চাইলে আমাদের সিনিয়ররা বসেছিলেন। এই পক্ষ একটা অভিযোগ দেয়, ঐ পক্ষ একটা অভিযোগ দেয়। পরবর্তীতে অসামঞ্জস্য কথাবার্তা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে মেয়েটা প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করে এবং এমরানের চাকরি চলে যায়। মেয়েটার কাছে চেক না থাকলে প্রক্টর অফিসে অভিযোগ দেয় কিভাবে?”
অভিযোগের বিষয়ে চবি ছাত্রদল সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, “এই ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। ৫ আগস্টের পরে একদিন হাটহাজারীতে উনার (অভিযোগকারীর) আত্মীয়ের মাধ্যমে দুই পক্ষ বসে। তখন আমি পার্টি অফিস থেকে যাই। দুই পক্ষের কথা না মিললে কোনো সমাধান হয়নি এবং তারা চলে যায়। এর বাইরে আর আমি কিছুই জানি না।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে কিছুক্ষণ আগে জানতে পেরেছি।অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হবে।”




