পানিসম্পদ এবং পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সিলেটে পাথর লুটের ঘটনায় সর্বদলীয় ঐক্যের কারণে স্থানীয় প্রশাসন ঝুঁকি নিতে পারছিলেন না। সিলেটে সাদা পাথর লুটের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজশ ছিল অথবা প্রশাসন নীরব ছিল। স্থানীয় সর্বদলীয় ঐক্যের কারণে তারা হয়তো ঝুঁকি নিতে পারছিলেন না। তারপরও আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখব। রবিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, গত ১০ থেকে ২০ বছরে কোন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষা তথা পর্যটন স্পট সুরক্ষার জন্য ফিল্ডে গিয়েছেন কিনা আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমরা দুজন উপদেষ্টা গিয়েছিলাম পরিবেশকে রক্ষা করতে কিন্তু সেখানে আমরা বাধার সম্মুখীন হয়েছি। উপদেষ্টাদের একটা লিমিট আছে আমরা মাইক্রো লেভেলের কোন কাজ করতে যাব না। সিলেটের সাদা পাথর এলাকাকে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন স্পটের রূপান্তরের লক্ষ্যই আমরা সেখানে ভিজিট করতে গিয়েছিলাম। স্থানীয়দের বাধার পরও আমরা বলেছি এটাকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন সেটা রক্ষা করতে পারে নাই। পিপল পাওয়ার নামে একটি কথা আছে। অর্থাৎ জনগণ যেখানে শক্তিময় হয় সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ডই কাজে লাগে না। জনগণেরই বিজয় হয় আমি মনে করি সিলেটও সেভাবেই জনগণের বিজয় হবে।
নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন। সেভাবে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে ইসিকে। ইসিও সেই নির্দেশনা মোতাবেক প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যই অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান। এখন পর্যন্ত ইসিকে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলের হিসাব-নিকাশ আছে, নিজস্ব রাজনীতি আছে। এটার সঙ্গে সরকারের অবস্থান বদলের কোনো সম্পর্ক নেই।
দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর বিষয়ে রিজওয়ানা হাসান বলেন, বিদেশে মিশনগুলো থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর ব্যাপারে কোনো লিখিত নির্দেশনা আছে বলে জানা নেই। এ বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদেও কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।




