- দৈনিক কালবেলার ইসলামের বেলার প্রধান শিরোনাম— ‘ইসলামে আলোকিত মানুষের পরিচয়’
আলোকিত মানুষকে সবাই ভালোবাসে। আল্লাহর কাছেও আলোকিত মানুষরা সম্মানিত। মানুষও চায় নিজেকে আলোকিত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে। কিন্তু আলোকিত মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখলেই আলোকিত মানুষ হওয়া সম্ভব হয় না; বরং এর জন্য সৎ, কর্মঠ, পরিশ্রমী, জ্ঞানী, সফল, নিষ্ঠাবান, প্রজ্ঞাবান, বিচক্ষণ, নিঃস্বার্থ, পরোপকারী ও সমাজসেবক হওয়ার মতো আদর্শিক বৈশিষ্ট্যাবলি অর্জন করতে হয়। সঙ্গে সঙ্গে কোরআন-হাদিসের নির্দেশিত পথ ও পন্থা অনুযায়ী জীবনযাপন করলেই শুধু প্রকৃত অর্থে আলোকিত মানুষ হওয়া যায়। এখানে কোরআন-হাদিসের দৃষ্টিকোণে আলোকিত মানুষের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হচ্ছে— বিশ্বাসীরা আলোর পথিক। মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ নিখিল বিশ্বের স্রষ্টা ও প্রতিপালক। তিনি নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, সাগর, মহাসাগর, গাছপালা, তরুলতা, খাল-বিল ও ঝরনাধারাসহ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তার কোনো শরিক নেই। তিনি একাই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। অতএব, যারা পরাক্রমশালী ও রাজাধিরাজ আল্লাহর একত্ববাদকে স্বীকার করে না, তারা নিজেদের প্রকৃত মালিক ও স্রষ্টার ব্যাপারে নিতান্ত অন্ধকারে রয়েছে। এমন লোকদের আলোকিত মানুষ বলা যায় না। মহান আল্লাহ শুধু এমন লোকদেরই আলোর পথপ্রদর্শন করেন, যারা তার প্রতি ইমান আনয়ন করে।
- আজকের পত্রিকার ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘যোগ্য নেতা বাছাইয়ে জনগণের প্রতি ইসলামের নির্দেশনা’
একটি সমাজ, দেশ বা জাতি এগিয়ে যাওয়ার জন্য যোগ্য নেতার বিকল্প নেই। যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। যোগ্য নেতা (অধিকাংশ সময়) নিজ থেকে উঠে আসেন না; জনগণের সচেতনতা, বিচক্ষণতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমেই প্রকৃত নেতা নির্বাচিত হন। যোগ্য নেতা বাছাই করে নেওয়া জনগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ দায়িত্ব যথাযথ পালন করা জরুরি। ভোট সাধারণ কোনো ব্যাপার নয়। ভোট মানে সাক্ষ্য দেওয়া ও সত্যায়ন করা। কাউকে ভোট দেওয়ার অর্থ হলো, তাঁর ব্যাপারে এই মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া, তিনি সৎ ও যোগ্য। দেশের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা এবং জনগণের অধিকার আদায়ে তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত। প্রার্থী সম্পর্কে জানার পরেও অসৎ ও অযোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার কারণে তিনি যদি নির্বাচিত হন এবং এর কারণে পরবর্তী সময়ে তিনি যত অসৎ কর্মকাণ্ড সম্পাদন করবেন, সেই পাপের অংশে ভোটাররাও শরিক হবেন।
- যুগান্তর পত্রিকার ‘ইসলাম ও জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘ফরায়েজি আন্দোলন: উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে মুসলিম জনতার শিকল ভাঙার ডাক’
ফরায়েজি আন্দোলন বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী বেনিয়া শক্তির বিরুদ্ধে উপমহাদেশে যে কয়েকটি সংগ্রাম সাড়া জাগিয়েছিল ফরায়েজি আন্দোলন তার অন্যতম। এটি শুধু একটি ধর্মীয় পুনর্জাগরণ নয়, বরং একটি সামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা ছিল। ব্রিটিশ শাসনের প্রভাবে উপমহাদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাস-আমল, আচার-আচরণে আমূল পরিবর্তন ঘটেছিল। বিজাতীয় সংস্কৃতির অনেক কিছুই মুসলমানদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করেছিল। ফলে তারা নিজেদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড থেকেও অনেক ক্ষেত্রে দূরে সরে গিয়েছিল। এমন প্রেক্ষাপটে হাজী শরীয়তুল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০) বাংলার মুসলমানদের মাঝে তাদের বিস্মৃত ধর্মীয় চেতনা জাগ্রত করার মাধ্যমে তাদের ইসলামের ফরজ বিধান পালনের দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য ১৮১৮ সালে আন্দোলন শুরু করেন।
- কালের কণ্ঠের ‘ইসলামী জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থেকে বাঁচার আমল’
মানসিক উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা মানবজীবনের একটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে অতীতের তুলনায় বর্তমানে তা বেশ প্রকট হয়েছে। জীবনযাত্রার জটিলতা, পারস্পরিক সম্পর্কের টানাপড়েন, আর্থিক অনিশ্চয়তা ও ভবিষ্যতের ভয় মানুষের মনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। তবে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ইসলাম মানুষের মন ও আত্মার প্রশান্তির পথ দেখিয়েছে। প্রকৃত পক্ষে একজন মুমিন কখনো উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় আক্রান্ত হতে পারে না। কেননা সে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছে এবং আল্লাহই তার সর্বোত্তম অভিভাবক। উদ্বেগে কাতর হয় দুনিয়ার মোহে আক্রান্ত ব্যক্তি। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তির চিন্তার বিষয় হবে পরকাল, আল্লাহ সেই ব্যক্তির অন্তরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন, তার যাবতীয় বিক্ষিপ্ত কাজকে সুসংযত করে দেবেন, দুনিয়া হীন হয়ে তার কাছে ধরা দেবে।
- আমার দেশের ধর্ম ও ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মসজিদে নববির খতিবের থেকে উপদেশ’
ইলম বা জ্ঞান এমনই উচ্চমর্যাদার বিষয়, যার অন্বেষণকারীকে শ্রদ্ধা করা হয় এবং মানুষের চোখে জ্ঞানীকে বড় করে দেখা হয়। যে ব্যক্তি জ্ঞানকে ভালোবেসেছে, জ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য তাকে ঘিরে রেখেছে। তার অঙ্গনে জ্ঞানের সৌন্দর্য বিরাজ করেছে। মুজাইনি (রহ.) বলেন, ‘আমি ইমাম শাফেঈ (রহ.)-কে বলতে শুনেছি, যে কোরআন শিখেছে, তার মূল্য বিশালত্ব লাভ করেছে। যে ফিকহ বিষয়ে গবেষণা করেছে, তার মর্যাদা উন্নীত হয়েছে। যে হাদিস সংকলন করেছে, তার প্রমাণযোগ্যতা শক্তিশালী হয়েছে। যে ভাষা নিয়ে চিন্তা করেছে, তার স্বভাব কোমল হয়েছে। যে গণিত নিয়ে ভেবেছে, তার মত বিশুদ্ধ হয়েছে। যে নিজেকে সুরক্ষিত করতে পারেনি, তার জ্ঞান তার উপকারে আসেনি।’ হে শিক্ষার্থীরা, তোমরা আগ্রহ-উদ্দীপনা, প্রফুল্লতা, মুক্তমন, মনোবল ও দৃঢ়চিত্ততার সঙ্গে শিক্ষার আসনে ফিরে যাও। উদাসীনতা, স্থবিরতা, অবহেলা ও অলসতার লাঞ্ছনা ও গ্লানি থেকে মুক্ত হও। পরিশ্রমে আছে মর্যাদা ও অলসতায় আছে বঞ্চনা। তাই জেগে ওঠো, অচিরেই পেয়ে যাবে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। প্রকৃত তরুণ তো সে, যে দৃঢ়সংকল্পে ভূষিত, যে কথা ও কর্মের দ্বীনতায় অভ্যস্ত নয়।
- দৈনিক সময়ের আলোর ইসলাম আলোর প্রধান শিরোনাম— ‘মুসলিম নারীর হাতে প্রতিষ্ঠিত পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়’
বর্তমান পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একজন মুসলিম নারীর হাতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ‘আল-কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয়’। মরক্কোর ফেজ নামক জায়গায় ৮৫৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন ফাতিমা আল-ফিহরি। আল-কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয়টি ইসলামিক বিশ্ব ও ইউরোপের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করেছিল। ইউরোপের রেনেসাঁর কথা তো দুনিয়ার মানুষ জানে। সেসময় ইউরোপিয়ানদের গবেষণার কাজে সহায়তা করেছিল মুহাম্মদ আল ইদ্রিসের মানচিত্র। বিখ্যাত এই মানচিত্রকার ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা অনেক পণ্ডিত তাদের কাজের মাধ্যমে বিশ্বকে প্রভাবিত করেছিলেন। তেমনি কিছু পণ্ডিত হলেন ইবনে রাশেদ আল-সাবতি, মুহাম্মদ ইবনে আলহাজ আল আবদারি আল-ফাসি, আবু ইমরান আল-ফাসি, তাত্ত্বিক মালিকি ও বিখ্যাত পর্যটক ও লেখক রাব্বি মুসিবিন মায়মন। প্রতিষ্ঠাতার পুরো নাম ফাতিমা বিনতে মুহম্মদ আল-ফিহরি আল-কুরাইশিয়া। পারিবারিক নামের কুরাইশিয়া থেকে ধারণা করা হয় তিনি ছিলেন কুরাইশ বংশধর।
- খবরের কাগজের ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘একমাত্র আদর্শিক নেতা মুহাম্মাদ (সা.)’
মানবজাতির যাত্রাপথে আল্লাহতায়ালা যুগে যুগে অসংখ্য নবী ও রাসুল প্রেরণ করেছেন, যাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষকে এক আল্লাহর উপাসনার দিকে আহ্বান করা এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিময় জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এই ধারাবাহিকতার পরিসমাপ্তি ঘটে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসুল, মানবজাতির মুক্তির দূত, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ (সা.)-এর আগমনের মাধ্যমে। তিনি কেবল একজন বার্তাবাহকই ছিলেন না, বরং ছিলেন মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত এক জীবন্ত আদর্শ, এক পরিপূর্ণ নেতা। মুসলিমদের জন্য তাঁর নেতৃত্ব কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং এটি ঈমানের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর আদর্শকে জীবনের একমাত্র পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি। এই সত্য পবিত্র কোরআন ও অসংখ্য বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত, যা সন্দেহের ঊর্ধ্বে।
- আলোকিত বাংলাদেশের ইসলাম ও সমাজ পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘মক্কা শরিফের জুমার খুতবা; আল্লাহ সবখানে সদা বিরাজমান’
সৃষ্টির অস্তিত্বের উদ্দেশ্য স্রষ্টার দাসত্ব। সৃষ্টির কাজ স্রষ্টাকে চেনা-জানা, তাঁর নামণ্ডগুণ ও কর্ম সম্পর্কে অবহিত হওয়া। দাস তার মনিবকে যতটা জানবে, তাঁর সম্পর্কে তার বিশ্বাস ততটা বাড়বে। সে তাঁকে ভালোবাসবে। আনুগত্য করবে। তাঁর অবাধ্যতা থেকে বিরত থাকবে। আল্লাহ সুউচ্চ, সুমহান। এ গুণদুটি তার আসমাউল হুসনার অন্তর্ভুক্ত। তিনি সবার ওপরে, সবচেয়ে বড়। তিনি নিজের সম্পর্কে বলেন, ‘তিনি দৃশ্য-অদৃশ্যের জ্ঞাতা, সুমহান ও সর্বোচ্চ মর্যাদাবান।’ (সুরা রাদ : ৯)। তিনি আরও বলেন, ‘এটা এ কারণে, তিনিই সত্য। তাঁকে ছাড়া তারা আর যাদের ডাকে, সব ভ্রান্ত। নিশ্চয় আল্লাহই সমুচ্চ, সুমহান।’ (সুরা হজ : ৬২)। অন্য আয়াতে বলেন, ‘তুমি তোমার সুমহান প্রতিপালকের নামে পবিত্রতা ঘোষণা করো।’ (সুরা আলা : ১)।
- দৈনিক দেশ রূপান্তরের দৈনন্দিন ইসলামের প্রধান শিরোনাম— ‘রাগ সংবরণের পুরস্কার জান্নাত’
রাগ মানুষের মন্দ স্বভাবগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাগ নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। প্রত্যেক মানুষেরই রাগ আছে। তবে কারও কম আর কারও বেশি। রাগ হলো অন্তরের অগ্নিশিখা, যা মানুষের শরীর ও মনে প্রবল উত্তেজনা সৃষ্টি করে। তাই রাগ মানুষের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এর পাশাপাশি ব্যক্তির ধর্মীয়ভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। রাগ সংবরণ করা মুমিনের গুণ। এর বিনিময়ে রয়েছে মহাপুরস্কার জান্নাত। অনেক সময় রাগের কারণে স্বাভাবিক বুদ্ধি লোপ হওয়ায় অনেকে গর্হিত ও অন্যায় কাজ করে ফেলে, যা শরিয়তে ব্যাপকভাবে নিষেধ। তাই মানুষের মনে রাগ এলে তা সংবরণ করার চেষ্টা করা আবশ্যক। যাতে মানুষ গর্হিত ও অন্যায় কাজ থেকে বেঁচে থাকতে পারে। মূলত রাগ সংবরণ করা আদর্শ মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ।
- প্রতিদিনের সংবাদের ইসলাম ও জীবন পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘নবীজীবনের সায়াহ্নে’
নবীজীবনের সায়াহ্নে দিনগুলো ছিল আশা ও বেদনার মধ্যে বিরাজমান। ইসলামের পূর্ণতা ও আরব ভূখণ্ডে বিজয় সম্পন্ন হওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (স.)-এর আচরণ ও বক্তব্যে এমন কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে, যা তার পার্থিব জীবনের সমাপ্তি ঘনিয়ে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। ইসলামি গবেষকদের ভাষায় এসব আলামতকে বলা হয় ‘তালাইউত তাওদি’ বা বিদায়ের সূচনাসমূহ। এর মধ্যে ছিল হজে বিদায় ভাষণ, ওহির সমাপ্তি এবং মৃত্যুর ঘনঘন স্মরণ। একাদশ হিজরির ২৯ সফর সোমবার তিনি বাকী কবরস্থানে একটি জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। ফেরার পথে মাথাব্যথা ও জ্বরে আক্রান্ত হন। এটিই ছিল তার শেষ অসুস্থতার সূচনা, যা প্রায় ১৩-১৪ দিন স্থায়ী হয়। এই কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি টানা ১১ দিন নামাজে ইমামতি করেন, যা উম্মতের প্রতি তার গভীর দায়িত্ববোধের প্রমাণ।




