ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার পর তার রক্ত পান ও শরীরের মাংস খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ভয়াবহ এ ঘটনা প্রকাশ্যে দিনের বেলায় ঘটলেও হামলাকারীর হাত থেকে কিশোরকে উদ্ধারে কেউ এগিয়ে আসেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলার সামান্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরের নাম ভরত বিশ্বকর্মা।
পুলিশ জানিয়েছে, ভরত তার দিদির শ্বশুরবাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় গুড্ডা পটেল নামে এক যুবক তাকে পেছন থেকে আক্রমণ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, একটি লোহার রড দিয়ে ভরতের মাথায় আঘাত করেন গুড্ডা। আঘাতে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে পরে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় একের পর এক আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, ভরতের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার শরীর থেকে বের হওয়া রক্ত পান করতে শুরু করেন গুড্ডা। এমনকি ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের মাংস কেটে খাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
এ সময় উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন বলেও জানা গেছে। পরে স্থানীয় কয়েকজন পুলিশে খবর দেন।
ঘটনার পর অভিযুক্ত গুড্ডা পটেল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে গ্রামবাসীরা তাকে ধাওয়া করে ঘিরে ফেলেন। স্থানীয়দের দাবি, সে সময় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তিনি গ্রামবাসীদের ওপর হামলারও চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ চেষ্টার পর গুড্ডাকে আটক করে। ঘটনার কারণ ও অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।





