শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর ত্যাগ সেক্রিফাইস করেছি। আগামী দিনেও সব অপকর্ম থেকে দূরে থেকে মানুষের আস্থা-ভালোবাসা অর্জনে কাজ করে যেতে হবে।
মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফেকামার গ্রামে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং খোঁজখবর নেন।
এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী আরও বলেন, মানুষ যেন বুঝতে পারে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকে। আমরা কোনো জোর-জবরদখল করি না এবং কাউকে করতেও দিই না।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র এক মাস হলেও এরই মধ্যে রমজান মাস ও আন্তর্জাতিক সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার থেমে থাকেনি। নির্বাচনি ইশতিহারের অনেক প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন রয়েছে। অতীতে অনেক সরকার এসেছে, এমনকি বিএনপিও সরকার গঠন করেছে, কিন্তু এত অল্প সময়ে ইশতেহার বাস্তবায়নের এমন গতি দেখা যায়নি।
তিনি আরও দাবি করেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের অস্থিরতার মধ্যেও সরকার দেশের জনগণের স্বার্থে তেলের দাম এক টাকাও বাড়ায়নি। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্যও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার গোলাম সারওয়ার ভুঁইয়া, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেলা প্রশাসক আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আফরোজ মারলিজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ইফতারের আগমুহূর্তে আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণে কটিয়াদীর বাচ্চু মিয়াসহ দুইজন বাংলাদেশি নিহত হন। অপর নিহত ব্যক্তি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বাসিন্দা। ধারণা করা হচ্ছে, নিকটবর্তী একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছিল।




