ম্যাচের আগের দিন আলোচনার কেন্দ্রে বাংলাদেশ দলের হামজা চৌধুরী। সমর্থকদের মতো প্রতিপক্ষ হংকংও তাকিয়ে আছে তাঁর দিকে—তবে ভিন্ন দৃষ্টিতে। হামজাকে ঠেকাতে বিশেষ কৌশল নিয়েই ব্যস্ত তারা।
আগামীকাল এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকংয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু রাত ৮টায়। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে হংকং কোচ অ্যাশলে ওয়েস্টউড বলেন,
‘বাংলাদেশ ভালো দল। হামজা চৌধুরী দলে যুক্ত হওয়ায় তারা আরও শক্তিশালী হয়েছে। সে মিডফিল্ডে খেলে, তবে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবেও দক্ষ।’
হামজার পাশাপাশি শমিত সোম, জায়ান আহমেদ ও ফাহামিদুল ইসলামকেও নজরে রেখেছেন ওয়েস্টউড,
‘বাংলাদেশ এখন অনেক স্থিতিশীল। কোচ দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, নতুন খেলোয়াড়রাও এসেছে। দলটা উদ্যমী।’
তবে ব্যক্তির চেয়ে দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন হংকং কোচ,
‘এটা দলগত খেলা। আমাদেরও কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে, কিন্তু আমরা পুরো বাংলাদেশ দলকেই মনোযোগে রাখছি।’
বর্তমান হংকং দলে ২৫ জনের মধ্যে ১১ জন বিদেশি বংশোদ্ভূত। দলে আছেন পাঁচ ব্রাজিলিয়ান, এক ইউক্রেনিয়ান, এক স্কটিশ, এক জাপানি, এক ফরাসি, এক স্প্যানিশ ও এক ক্যামেরুনীয় খেলোয়াড়।
তবু ওয়েস্টউড বলেন, ‘ওরা সবাই নিয়ম মেনে নাগরিকত্ব পেয়েছে, এখন তারা হংকংয়েরই খেলোয়াড়।’
১৯৫০-এর দশক থেকেই বিদেশি খেলোয়াড়দের নাগরিকত্ব দিয়ে আসছে হংকং। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী কোনো খেলোয়াড় ১৮ বছর বয়সের পর টানা পাঁচ বছর কোনো দেশে থাকলে সে দেশের হয়ে খেলার যোগ্য হয়।
দলটির মূল শক্তি এখন এই প্রবাসীনির্ভর আক্রমণভাগ। বিশেষ করে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এভারটন কামারগো ও ক্যামেরুনে বেড়ে ওঠা মহামা আওয়াল কাউন্টার অ্যাটাকে বিপজ্জনক। ২০২৩ সালে অভিষেকের পর থেকে কামারগো ১৯ ম্যাচে ১০ গোল ও ১৩ গোলে সহায়তা করেছেন। ড্রিবলিংয়ে বেশ দক্ষ কামারগো।



