- আজকের পত্রিকার ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘জনসম্পদ আত্মসাৎ ভয়াবহ অপরাধ’
জনসম্পদকে আমানত হিসেবে দেখা, এর প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং এর অপব্যবহার থেকে বিরত থাকা ইমানের অপরিহার্য অংশ। এটি একজন মুমিনের সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্যের পরিচায়ক। এই সম্পদের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ নৈতিক ও ইমানি কর্তব্য। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে রাষ্ট্রীয় সম্পদকে জনগণের কাছে আল্লাহর দেওয়া আমানত হিসেবে দেখা হয়, যার খেয়ানতকারীকে ইহকাল ও পরকালে কঠিন জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। ইসলামের মৌলিক নীতি হলো, রাষ্ট্রীয় সম্পদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়, বরং তা দেশের প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের বস্তু। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) এই সত্যকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি কসম করে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই এই (রাষ্ট্রীয়) সম্পদে কেউ কারও চেয়ে বেশি হকদার নয়। আমিও কারও চেয়ে বেশি হকদার নই। এই সম্পদে সব মুসলমানের অধিকার আছে, তবে মালিকানাধীন দাস ছাড়া।’ এই ঘোষণা থেকে স্পষ্ট হয়, জনসম্পদ হলো একধরনের সমষ্টিগত মালিকানা, যার সুষ্ঠু বণ্টন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। এই সম্পদ থেকে একজন যোগ্য ব্যক্তি যাতে তার প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, তার জন্য আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতগুলো হকদারদের কাছে পৌঁছে দিতে।’ (সুরা নিসা: ৫৮)
- কালের কণ্ঠের ‘ইসলামী জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘কিবলার দিক নির্ণয়ের নীতি ও পদ্ধতি’
কিবলা নির্ণয় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, বিশেষ করে নামাজের জন্য তা অপরিহার্য বিষয়। যারা সচক্ষে কাবাগৃহ দেখতে পায়, যেমন—মক্কাবাসীরা, তাদের কিবলা হলো সরাসরি কাবাগৃহ। আর যারা সরাসরি কাবাগৃহ দেখতে পায় না তাদের কিবলা হলো কাবার দিক। নামাজে কিবলার বিধান হলো, কেউ যদি কাবাঘরের অবস্থান থেকে ডানে-বাঁয়ে ৪৫ ডিগ্রি করে সর্বমোট ৯০ ডিগ্রি অঞ্চলের ভেতরের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে, তাহলেই নামাজ হয়ে যাবে। তাই কোনো মসজিদের মিহরাব কিবলার মূল দিক থেকে সামান্য এদিক-সেদিক হয়ে গেলেও বিচলিত হওয়ার কারণ নেই, কেননা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে প্রায়ই দেখা যায় যে সেগুলোর কিবলা উপরোল্লিখিত ৯০ ডিগ্রির ভেতরই পড়ে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানের অঞ্চলটি হলো কিবলার দিক।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৪)। রাসুলুল্লাহ (সা.) এটি মদিনা শরিফের হিসাবে বলেছিলেন। সে হিসাবে বাংলাদেশ থেকে মক্কা যেহেতু পশ্চিম দিকে, তাই আমাদের কিবলা হবে উত্তর ও দক্ষিণের মাঝে তথা পশ্চিম দিকে কাবা শরিফের ডানে-বাঁয়ে ৪৫ ডিগ্রি অঞ্চল।
- দৈনিক কালবেলার ইসলামের বেলার প্রধান শিরোনাম— ‘মানুষের দোষ প্রকাশ করা অনুচিত’
ইসলাম নেতিবাচক বিষয় প্রকাশ করা পছন্দ করে না। দোষ, পাপ ও অপরাধ নিজের হোক বা অন্যের; তা আলোচনা করা অনুচিত। নিজের অন্যায় কর্ম অন্যদের সামনে প্রকাশ করা সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার উম্মতের সব ব্যক্তির গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, তবে ওইসব লোক ছাড়া, যারা নিজেদের পাপ ও অপরাধ জনসমক্ষে প্রকাশ করে। নিজেদের অপরাধ প্রকাশ করার অর্থ হচ্ছে কেউ রাতে কোনো গুনাহ করে, অতঃপর যখন সকাল হয় সে নিজেই তা মানুষকে বলে বেড়ায়, গত রাতে আমি এই এই কাজ করেছি। অথচ রাতে তার প্রতিপালক সেটাকে গোপন রেখেছেন এবং অবিরত তার প্রতিপালক তা গোপন রাখছিলেন এবং সে দিনের বেলায় কোনো গুনাহের কাজ করে আর যখন রাত হয়; সে তা মানুষকে বলে বেড়ায়, যদিও আল্লাহ তা গোপন রেখেছিলেন।’ (মুসলিম: ২৯৯০)। নিজের কোনো পাপ হয়ে গেলে তা তো গোপন করতেই হবে, অন্য কোনো ব্যক্তির পাপ ও অপরাধও যদি চোখে পড়ে যায় সেটাও গোপন করা উচিত। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের গোপন (অপরাধের) বিষয় গোপন রাখবে, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার গোপন (অপরাধের) বিষয় গোপন রাখবেন। আর যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের গোপন বিষয় ফাঁস করে দেবে, আল্লাহ তার গোপন বিষয় ফাঁস করে দেবেন, এমনকি এই কারণে তাকে তার ঘরে পর্যন্ত অপদস্থ করবেন।’ (ইবনে মাজা: ২৫৪৬)
- আমার দেশের ধর্ম ও ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘খুন-হত্যা বন্ধে ইসলামি শাসনের কার্যকারিতা’
মানুষের জীবনের যেন কোনো মূল্য নেই। মানুষ সব সময় শঙ্কার মধ্যে দিন পার করছে, আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে জীবনযাপন করছে। প্রিয় বাংলাদেশ যেন পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে! গণপিটুনি, রোড অ্যাক্সিডেন্ট ও ম্যানহোলে পড়ে যাওয়ায় সংঘটিত মৃত্যুর ঘটনা ছাড়াও বিভিন্ন ডোবায়-নালায় ও লাগেজের ভেতর খণ্ড-বিখণ্ড লাশ পাওয়া যাচ্ছে। আবার কাউকে ইট কিংবা পাথর দিয়ে থেঁতলে মারা হচ্ছে। তুচ্ছ কারণে কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে মানুষকে। মানবজীবনের মূল্য : ইসলামের মৌলিক লক্ষ্যগুলোর প্রধান একটি হলো মানুষের জান-মাল-সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। রাসুল (সা.) বিদায় হজের ভাষণে বলেছিলেন, ‘জেনে রেখো, নিশ্চয়ই তোমাদের মাল-সম্পদ, তোমাদের সম্মান ও তোমাদের রক্ত (জীবন) তোমাদের পরস্পরের ওপরে হারাম, যেমন আজকের এই দিন, এই মাস, এই শহর তোমাদের জন্য হারাম।’ (বুখারি ও মুসলিম)। একজন নির্দোষ মানুষকে হত্যা করা পুরো মানবজাতিকে হত্যা করার মতো অপরাধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এ কারণেই আমি বনি ইসরাইলের জন্য বিধান দিয়েছিলাম, যে ব্যক্তি মানুষ হত্যা কিংবা জমিনে সন্ত্রাস সৃষ্টির কারণ ব্যতীত কাউকে হত্যা করবে, সে যেন পুরো মানবতাকেই হত্যা করল। আর যে মানুষের প্রাণ বাঁচাল, সে যেন সব মানুষকে বাঁচাল।’ (সুরা মায়িদা : ৩২)
- দৈনিক সময়ের আলোর ইসলাম আলোর প্রধান শিরোনাম— ‘ইতিহাসের দুই মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রতিরক্ষাপ্রাচীর’
আলেকজান্দ্রিয়া ভূমধ্যসাগরের নীল জলরাশির বুকে এক ঝলমলে প্রাচীন শহর। খ্রিস্টপূর্ব ৩৩২ সালে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের স্বপ্নে গড়া এক নগরী। কায়রোর পর মিসরের দ্বিতীয় রাজধানী ধরা হয় এই শহরকে। এই শহর সমুদ্র তীরের মায়াবী সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসের গভীর শেকড় আর সংস্কৃতির মোহনীয় রঙে বিশ্বের কাছে অমর। শীত-গ্রীষ্মের নরম ছোঁয়ায় এই নগরী পর্যটকদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নেয়। এই নগরীর বুকে সমুদ্রের ঢেউয়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে এক দুর্গ কায়েতবাই। যার পাথরের দেয়ালে খোদিত দুই মুসলিম সাম্রাজ্যের গৌরবময় কাহিনি। কায়েতবাই দুর্গ আলেকজান্দ্রিয়ার পশ্চিম প্রান্তে, ভূমধ্যসাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক দুর্গ। এটি নির্মাণ করা হয়েছিল প্রাচীন আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘরের ধ্বংসস্তূপে। যে বাতিঘর একদা বিশ্বের সাত আশ্চর্যের মুকুটে রাজত্ব করত। সুলতান নাসির মুহাম্মদ ইবনে কালাউনের আমলে ভূমিকম্পে সেই বাতিঘর মাটির সঙ্গে মিশে গেলে ১৪৭৭ সালে মামলুক সুলতান আল-আশরাফ আবু নাসর কায়েতবাই এই স্থানে পা রাখেন। সমুদ্রের গর্জন শুনে তিনি যেন বুঝেছিলেন, এখানে এক অটল প্রাচীর গড়তে হবে। তার নির্দেশে নির্মিত এই দুর্গের নাম হয় কায়েতবাই দুর্গ।
- খবরের কাগজের ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘কালো জাদুর ভয়ংকর মরণফাঁদ!’
কালো জাদু এক ভয়ংকর মরণফাঁদ। এর মাধ্যমে একজন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়াও সম্ভব। মানুষে মানুষে বিভেদ আর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কোচ্ছেদ অনেক সময় কালো জাদুর প্রভাবেই হয়ে থাকে। বর্তমানে এর প্রয়োগ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। সমাজের অনেকেই জাদুর অস্তিত্ব স্বীকার করেন না। বিশেষভাবে যারা আধুনিক ও মডারেট চিন্তাভাবনা লালন করেন। কিন্তু বাস্তবে কি জাদুর অস্তিত্ব আছে। ইসলাম এ ব্যাপারে কী বলে, তা জানা প্রয়োজন।সুলায়মান (আ.)-এর জামানায় জাদুর চর্চা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। জাদুর তালিম ছিল তাদের নিত্যদিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নবির নিষেধ সত্ত্বেও বন্ধ হয়নি জাদুচর্চা। এহেন পরিস্থিতিতে মানুষকে পরীক্ষা করার জন্য আল্লাহতায়ালা বাবেল শহরে দুইজন ফেরেশতা অবতীর্ণ করেন। তারা মানুষকে জাদু শিখিয়ে তার কুপ্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করত এবং তা প্রয়োগ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করত। কিন্তু যারা পরীক্ষায় ফেল করার, তারা ঠিকই ফেরেশতাদের থেকে জাদুবিদ্যা শিখে তার অপপ্রয়োগ ঘটাত।
- যুগান্তর পত্রিকার ‘ইসলাম ও জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘ইসলামে দারিদ্র্য বিমোচনের পথ ও পদ্ধতি’
দারিদ্র্য একটি সামাজিক ও মানবিক সমস্যা। সম্ভবত পৃথিবীতে মানবসভ্যতা যতটা প্রাচীন, দারিদ্র্য সমস্যাটিও ততই পুরোনো। বর্তমান বিশ্বে রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ ও মানবসেবায় নিয়োজিত অসংখ্য ব্যক্তি ও সেবা-সংগঠন বিশ্বমানবতাকে দারিদ্র্যমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রাণান্তকর প্রয়াস চালিয়ে আসছে। বিশেষত জাতিসংঘ দারিদ্র্যকে অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। অথচ বাস্তবে দারিদ্র্য নিরসন সম্ভব হচ্ছে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এক সময় মুসলিম খলিফা ও শাসকরা তাদের প্রতিষ্ঠিত সমাজ ও রাষ্ট্রকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কুরআন ও হাদিসে বিশেষত, জাকাত বণ্টনের খাত আলোচনায় দরিদ্র ব্যক্তিকে ‘ফকির’ ও ‘মিসকিন’-এ দুটি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছে। একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসাবে ইসলাম দারিদ্র্য বিমোচনে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণে এটা প্রমাণিত, ইসলামি বিধানের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন পরিপূর্ণ দারিদ্র্য দূরীকরণে সম্পূর্ণ সফল হয়েছে। সুতরাং আমাদের দারিদ্র্য বিমোচনে ইসলামের সুমহান আদর্শ উৎসারিত কর্মকৌশল প্রণয়ন করতে হবে।
- আলোকিত বাংলাদেশের ইসলাম ও সমাজ পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘মক্কা শরিফের জুমার খুতবা; ধৈর্য আল্লাহর মহাদান’
আল্লাহতায়ালা আইয়ুব (আ.)-এর পরীক্ষা নিয়েছেন। তার শরীরে ঘা হয়েছে। সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে। সন্তানদের মৃত্যু হয়েছে। হৃৎপিণ্ড আর জিহ্বা ছাড়া শরীরের কোনো অঙ্গ আক্রান্ত হতে বাকি ছিল না। তিনি ধৈর্য ধরেছেন। আল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা রেখেছেন। আল্লাহর স্মরণ থেকে কখনও উদাসীন হননি। এভাবে অসুস্থতায় কেটে গেছে আঠারোটি বছর। সঙ্গীরা বিরক্ত হয়েছে। আপনজন সঙ্গ ত্যাগ করেছে। একজন স্ত্রী ছাড়া তার পরিচর্যার মতো কেউ ছিল না। তিনি তার যত্ন নিয়েছেন। পুরনো দয়ার হক আদায় করেছেন। স্ত্রীও ছিলেন ধৈর্যশীলা, রবের কাছে প্রতিদান প্রত্যাশিনী। আইয়ুব (আ.)-এর সম্পদ, সন্তান ও ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও তিনি তাকে ছেড়ে যাননি।
- দৈনিক দেশ রূপান্তরের দৈনন্দিন ইসলামের প্রধান শিরোনাম— ‘ক্ষমা ও বরকত লাভের দোয়া’
দোয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। দোয়া শুধু মুখের উচ্চারণ বা আনুষ্ঠানিক প্রার্থনা নয়, বরং বান্দা ও তার প্রভুর মধ্যে এক অন্তরঙ্গ আলাপ, হৃদয়ের গভীর থেকে আসা মিনতি ও আশা। দোয়া হলো দৃঢ় ইমানের প্রকাশ, ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ এবং আল্লাহর প্রতি পূর্ণ নির্ভরতার স্বীকৃতি। কোরআনে বহুবার বান্দাকে দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহকে ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দোয়া এমন এক ইবাদত যা মুমিনের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সাহস ও আশার উৎস হয়ে ওঠে। এমন এক দোয়া আছে, যা একসঙ্গে ব্যক্তির গুনাহের ক্ষমা, জীবিকায় বরকত এবং ঘরে প্রশান্তি আনে।
- প্রতিদিনের সংবাদের ইসলাম ও জীবন পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘জীবন গঠনের সুন্নত’
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘যে রাসূলেরে আনুগত্য করলো সে পকৃতপক্ষে আল্লাহরই আনুগত্য করলো।’ [সুরা নিসা-৮০] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে আমার সুন্নতকে জীবিত করল, সে আমাকে ভালোবাসল। আর যে আমাকে ভালবাসল, সে আমার সঙ্গে জান্নাতে থাকবে।’ [তিরমিজী শরীফ]। বাড়ি থেকে মসজিদ বা অন্য কোন জায়গায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলে এই দোয়াটি পড়বেন। [সুনানে আবু দাউদ, ২/৩৩৯] আমি আল্লাহর নামে বের হয়েছি। আল্লাহর ওপরই ভরসা করেছি। পাপকর্ম থেকে বেঁচে থাকা এবং পুণ্য কর্ম করার শক্তি কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই হয়ে থাকে।




