বার্মিংহামের লোজেলস এলাকায় অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলা (ফ্লাই-টিপিং) রোধে স্থানীয়রা একসঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। তবে এই সমস্যায় অনেক বাসিন্দা ক্ষুব্ধ ও হতাশ বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর ওয়াসিম জাফর।
রোববার তিনি একদিনেই ৪১টি বর্জ্য ফেলার ঘটনা সিটি কাউন্সিলে রিপোর্ট করেছেন। তার ভাষায়, “অধিকাংশ বাসিন্দা অসাধারণ মানুষ, তারা এলাকা পরিষ্কার রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। কিন্তু অল্প কয়েকজন কিংবা বাইরের লোক এসে ময়লা ফেলায় পুরো সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
কাউন্সিলও স্বীকার করেছে, লোজেলসে বর্জ্য ফেলার বিষয়টি একটি বড় উদ্বেগ। তারা স্থানীয় কাউন্সিলর ও সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছে সমস্যার সমাধানে। সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “প্রতি সপ্তাহেই শত শত বর্জ্য ফেলার অভিযোগ দ্রুত সমাধান করা হয়। শহরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আমাদের দল সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।”
ওয়াসিম জাফর বলেন, “এলাকায় বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি আর আবাসন বৈষম্যের মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমার কাছে একটি ভালো সূচনা হলো পরিচ্ছন্ন পাড়া। পাড়া পরিষ্কার থাকলে সেই পাড়ার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ও অন্তর্ভুক্তির অনুভূতি দৃঢ় হয়।”
তিনি আরও জানান, ছয় মাস ধরে শহরে ময়লা সংগ্রহকারীদের ধর্মঘট চললেও এর সঙ্গে বর্জ্য ফেলার বাড়তি সমস্যার সরাসরি সম্পর্ক আছে—এমন প্রমাণ তার কাছে নেই। “সাপ্তাহিকভাবে অবশিষ্ট বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাই ময়লা ফেলার কোনো অজুহাত নেই,” বলেন তিনি।
তার মতে, বেশিরভাগ বাসিন্দা সমস্যার কারণ নন; বরং তারাই এ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ ও হতাশ।
সিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে তারা বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেকোনো প্রমাণসহ ঘটনাগুলো রিপোর্ট করার জন্য, যেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।




