- আমার দেশের ধর্ম ও ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘প্রজন্ম রক্ষায় প্রয়োজন প্রাথমিক শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষক’
আধুনিক সমাজে হত্যা, ধর্ষণ, ইভটিজিং, দুর্নীতি, সুদ-ঘুসসহ নানা অপরাধ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহরগুলোয় কিশোরগ্যাং কালচার অভিভাবকদের আতঙ্কিত করে তুলছে। ছেলেমেয়েরা বা মা, শিক্ষক ও গুরুজনদের প্রতি ভক্তি এবং শ্রদ্ধার আবহমানকালের সুন্দর ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসছে। এসবের মূল কারণ হলো নৈতিক অবক্ষয়। নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ হারালে সমাজে শৃঙ্খলা বিনষ্ট হয়, দেখা দেয় সামাজিক বিপর্যয়। তাই সামাজিক বিপর্যয় থেকে মুক্ত থাকতে হলে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিকল্প নেই। কারণ ধর্মের প্রকৃত অনুশীলনই শুধু নৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে পারে।
- আজকের পত্রিকার ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘ধর্মীয় শিক্ষা: শিশুর হৃদয়ে বোনা নৈতিকতার বীজ’
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। তাদের বেড়ে ওঠার পদ্ধতিই নির্ধারণ করে দেয় আগামীর দিনে জাতি কতটা সুন্দর ও সমৃদ্ধ হবে। যদি তাদের আদর্শ ও নৈতিক গুণাবলিতে গড়ে তোলা যায়, তাহলে তারাই একদিন জাতিকে সঠিক পথ দেখাবে। আর তাদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ধর্মীয় শিক্ষা। এ শিক্ষা শিশুর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তি স্থাপন করে।
- যুগান্তর পত্রিকার ‘ইসলাম ও জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘বিশ্বসভ্যতা বিনির্মাণে মুসলমানদের অবদান’
আধুনিক বিশ্বে ইসলামি সভ্যতার সর্বাপেক্ষা অমূল্য দান হলো বিজ্ঞান। তবে এ অর্জন ছিল দীর্ঘকালব্যাপী এক প্রক্রিয়ার ফল, যা তাৎক্ষণিকভাবে পরিপূর্ণতা লাভ করেনি। বিশেষত আন্দালুসে আরব সংস্কৃতির বুদ্ধিবৃত্তিক অনুশীলন ও গবেষণামুখী মনোভাব যে মেধার ভিত রচনা করেছিল, তা ইউরোপীয় সমাজে ইসলামি সভ্যতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার অনেক পরে নতুনভাবে বিকশিত ও পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করে।
- দৈনিক কালবেলার ইসলামের বেলার প্রধান শিরোনাম— ‘মুমিনের জীবনে ভুল থেকে শিক্ষা’
মানুষের জীবনে ভুল হওয়া খুব স্বাভাবিক বিষয়। পৃথিবীর প্রথম মানুষ ভুল করেছিলেন, সে ধারাবাহিকতায় সব মানুষেরই ভুল হতে পারে। তবে ভুলের পর তা স্বীকার করা ও অনুতপ্ত হওয়াই মনুষ্যত্বের পরিচয়। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (স.) বলেছেন, ‘প্রত্যেক আদম সন্তানই ভুল করে। আর ভুল করার পর যারা তওবা করে তারা উত্তম।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ৪২৫১)। ভুল স্বীকার না করা এবং ভুলের ওপর অটল থাকা আল্লাহ পছন্দ করেন না। বরং ভুল করার পর বান্দা অনুতপ্ত হবে এটাই আল্লাহর পছন্দ। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যদি তোমরা পাপ না করতে তবে আল্লাহ এমন মাখলুক বানাতেন, যারা পাপ করত এবং আল্লাহ তাদের মাফ করে দিতেন।’ (সহিহ মুসলিম: ৬৮৫৬)। ইসলামের শিক্ষা হলো—ভুল স্বীকার করা মানুষের দুর্বলতা নয়। কারণ সৃষ্টিগতভাবেই ভুল করার প্রবণতা মানুষের মধ্যে রয়েছে। তাই ভুল হলে স্বীকার করে নেওয়াই যৌক্তিক এবং উত্তম বান্দার বৈশিষ্ট্য। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘প্রতিটি মানুষ ভুল করে, সর্বোত্তম ভুলকারী যে অনুতপ্ত হয় (এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে)।’ (সুনানে তিরমিজি: ২৪৯৯)।
- কালের কণ্ঠের ‘ইসলামী জীবন’ শীর্ষক পাতার প্রধান নিবন্ধ— ‘ইসলামী রাজনীতির প্রধান উৎস আল-কোরআন’
ইসলামী রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শুধু সামাজিক বা প্রশাসনিক কোনো কাঠামো নয়, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই পবিত্র কোরআনে রাজনীতি, শাসনব্যবস্থা, ন্যায়বিচার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, নাগরিক অধিকার এবং অপরাধবিষয়ক বিধানগুলো স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এগুলো ইসলামী শাসনের মূলনীতি। যার বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায় নবী করিম (সা.)-এর সুন্নাহ, সাহাবিদের ঐকমত্য (ইজমা), কিয়াস, জনস্বার্থ ও শরিয়াসম্মত রীতিনীতি থেকে। এটি ‘সিয়াসাহ শারইয়্যাহ’ নামে পরিচিত। পবিত্র কোরআনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রাজনীতির উল্লেখ আছে। কোরআনের ভাষায়—‘বলে দাও, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু—সবই বিশ্বজগতের রব আল্লাহর জন্য। তাঁর কোনো অংশীদার নেই। আর আমাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবং আমিই প্রথম আত্মসমর্পণকারী।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১৬২-১৬৩)। একজন মানুষ তখনই প্রকৃত মুসলিম হতে পারে, যখন সে আল্লাহর সব আদেশের প্রতি সম্পূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশে বিশ্বাস করো আর অন্য অংশে অস্বীকার করো? যারা এমন কাজ করে, তাদের জন্য দুনিয়াতে অপমান ছাড়া আর কী প্রতিদান হতে পারে? আর কিয়ামতের দিনে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে কঠোরতম শাস্তির দিকে। আর তোমরা যা করো, আল্লাহ তা থেকে অজ্ঞ নন…।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ৮৫-৮৬)
- দৈনিক সময়ের আলোর ইসলাম আলোর প্রধান শিরোনাম— ‘মুসলিম বিশ্বের সেরা গ্রন্থাগার’
ইসলাম ইলম ও জ্ঞাননির্ভর ধর্ম। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর প্রথম অবতীর্ণ ঐশীবাণী ছিল ‘ইকরা’ অর্থাৎ পড়ো। প্রায় দেড় হাজার বছরের ইতিহাসে বিশ্বজুড়ে মুসলিম জাতি ছড়িয়েছে জ্ঞানের আলো। রচনা করেছে অজস্র গ্রন্থ। গড়ে তুলেছে বিশ্বসেরা গ্রন্থাগার।
- খবরের কাগজের ইসলাম পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘নবিয়ে রহমত মুহাম্মাদ (সা.)’
মানবজাতির সর্বশেষ ও চূড়ান্ত মুক্তির সনদ আল-কোরআন নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি ও রাসুল হজরত মুহাম্মাদ (সা.)। তাঁর পৃথিবীতে আগমনপূর্ব যুগকে ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’ বা অজ্ঞতা ও অন্ধকারের যুগ বলা হয়। এই অন্ধকার ও অজ্ঞতা ছিল মানবচরিত্রের চরম অধঃপতনের। তখন দুনিয়ার ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় ছিল। সেই মূর্খতার যুগে মানুষের সামাজিক অধিকার বলতে কিছুই ছিল না। নারী জাতির সামান্যতম মর্যাদা ও অধিকার ছিল না। খুনোখুনি, ছিনতাই, রাহাজানি, মদ্যপান, নেশা, জেনা-ব্যভিচার, অবৈধ কার্যকলাপ ছিল তখনকার লোকদের নিত্যদিনের কাজ। এক কথায় মানুষ ভুলে গিয়েছিল তাদের সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য। চরম নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের মধ্য দিয়ে মানুষ জাহান্নামের কিনারায় গিয়ে পৌঁছেছিল। ঠিক এমনই সময় মজলুম মানুষকে মুক্তি দিতে আল্লাহর পয়গাম নিয়ে জগৎ আলোকিত করতে পৃথিবীতে আগমন করলেন রাহমাতুল্লিল আলামিন (সা.)। কোরআনে কারীমে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘ওয়া মা আরসালনাকা ইল্লা রহমাতাল্লিল আলামিন’ যার অর্থ হলো- ‘আর আমি আপনাকে (মুহাম্মাদ সা.) সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত (দয়া বা করুণা) হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ (সুরা আল-আম্বিয়ার, ১০৭)। অন্য আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে, ‘আল্লাহতায়ালা মুমিনদের কাছে তাদের মধ্য হতে একজন রাসুল পাঠিয়ে তাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। তিনি তাদের কাছে আল্লাহর আয়াতগুলো পড়ে শোনান আর তাদের আত্মশুদ্ধি করান এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেন। নিশ্চয় তারা ইতিপূর্বে প্রকাশ্যে গুমরাহির মধ্যে ডুবেছিল।’ (সুরা আলে ইমরান, ১৬৫)।
- আলোকিত বাংলাদেশের ইসলাম ও সমাজ পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘যাপিত জীবনে সত্যবাদিতা অনন্য পাথেয়’
সত্যের জয় যেমন অবশ্যম্ভাবী, মিথ্যার পরাজয়ও তেমন সুনিশ্চিত। দিন শেষে সত্যই মানুষের গলায় পরিয়ে দেয় চূড়ান্ত বিজয়ের ফুলেল মালা। সব প্রতিকূলতা জয় করে আপন বিভায় জ্বলে ওঠে সত্যের আলোকবর্তিকা। মিথ্যার অন্ধকারকে বিদূরিত করে হকের আলো ছড়িয়ে দেয় পৃথিবীর দিগদিগন্তে। সত্যবাদিতার মহৎ এ গুণ মানব চরিত্রকে যেমন সৌকর্যময়, শুভমণ্ডিত ও ঈর্ষণীয় করে তোলে, তেমনি তনুমনকে করে উদ্বেলিত, স্পন্দিত, সুরভিত ও প্রফুল্লিত। সত্যবাদী সবখানেই নন্দিত হয়, হয় সবার জন্য অনুপম আদর্শ। সত্যের মহিমা, কর্মের দীপ্তি ও সফলতার স্নিগ্ধ আলোয় উদ্ভাসিত হয় চারপাশ। সৎ ব্যক্তির জীবন হয় ঈমানি আবেশে প্রাণময়, নৈতিক ভাবাবেগে মধুময়। সে সবার কাছে যেমন গ্রহণযোগ্য এবং শ্রদ্ধেয় হয়, তেমনি হয় সবখানে বরিত, প্রশংসিত এবং সমাদৃত। পক্ষান্তরে মিথ্যুক সব জায়গায় নিন্দিত, ঘৃণিত এবং প্রত্যাখ্যাত হয়। যার রক্ত-মাংসে মিথ্যার কদর্যতা মিশে যায়, সে নীচতা, হীনতা ও ইতরতার চরমে পৌঁছে যায়। ফলে মিথ্যার অসহনীয় দুর্গন্ধে তার জীবন যেমন বিষিয়ে ওঠে, তেমনি তলিয়ে যায় সে অপমান, লাঞ্ছনা ও বঞ্চনার চোরাবালিতে।
- দৈনিক দেশ রূপান্তরের দৈনন্দিন ইসলামের প্রধান শিরোনাম— ‘উম্মতের জন্য নবীজির ৭ উপদেশ’
মানবজাতির ইতিহাসে নবী-রাসুলদের আগমন সর্বদাই মানবতার মুক্তি ও পথপ্রদর্শনের জন্য হয়েছে। তারা মানুষকে এক আল্লাহর উপাসনা, নৈতিকতা, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যুগোপযোগী দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। তার উপদেশ শুধু তৎকালীন আরব সমাজকে নয়, বরং সমগ্র মানবজাতিকে পথ দেখিয়েছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত তা আলোর দিশা হয়ে থাকবে। নবীজির জীবনযাত্রা ও বাণী উম্মতের জন্য অমূল্য সম্পদ। তিনি যেসব উপদেশ দিয়েছেন, সেগুলো একদিকে যেমন আধ্যাত্মিক উন্নতির সোপান, অন্যদিকে সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য আলোকবর্তিকা। তার নির্দেশনা কেবল নামাজ, রোজা, হজ কিংবা জাকাতের মতো ইবাদতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জীবনের ক্ষুদ্রতম বিষয় থেকেও তিনি শিক্ষা দিয়েছেন। মানুষের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হবে, পরিবারকে কীভাবে সময় দিতে হবে, কীভাবে নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সবই তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছেন।
- প্রতিদিনের সংবাদের ইসলাম ও জীবন পাতার প্রধান শিরোনাম— ‘ইসলামে বৃক্ষরোপণ’
গাছপালা আল্লাহর অনন্ত নেয়ামত ও সদকায়ে জারিয়ার বিরাট উৎস। গাছপালা ও উদ্ভিদ হলো আল্লাহ তাআলার অন্যতম মহান নেয়ামত। মানুষ ও প্রাণিকুলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গাছপালার ভূমিকাই সবচেয়ে বড়। অক্সিজেন সরবরাহ থেকে শুরু করে খাদ্য, ওষুধ, আশ্রয়, সাজসজ্জা ও জীবনের যাবতীয় প্রয়োজন মেটায় উদ্ভিদরাজি। প্রকৃতি, পরিবেশ ও মানবজীবন-সবকিছুরই ভারসাম্য রক্ষায় গাছের অবদান অপরিসীম। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন- ‘পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং তাতে স্থাপন করেছি সুদৃঢ় পর্বতমালা এবং উৎপন্ন করেছি নয়নাভিরাম সব উদ্ভিদ। এসব রয়েছে প্রতিটি বিনীত বান্দার জন্য দৃষ্টান্ত ও উপদেশস্বরূপ।’ (সুরা কাফ : ৭-৮)। অন্য আয়াতে তিনি বলেন- ‘মানুষ যেন তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করে আমি কিভাবে পানি বর্ষণ করি, তারপর ভূমিকে বিদীর্ণ করে তাতে উৎপন্ন করি শস্য, আঙুর, শাকসবজি, জয়তুন, খেজুর, উদ্যানরাজি, ফলমূল ও পশুদের জন্য ঘাস। এগুলো তোমাদের ও গবাদিপশুর জীবনোপকরণ।’ (সুরা আবাসা: ২৪-৩২)। এই আয়াতগুলো স্পষ্টভাবে জানান দেয় যে, গাছপালা ও উদ্ভিদজগৎ আল্লাহর এক অপূর্ব সৃষ্টি, যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ।




