কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের কবির মাহমুদ গ্রামের বাসিন্দা গোলজার হোসেন বহুদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। হার্ট, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসের সমস্যার পাশাপাশি শ্বাসকষ্টে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও রোগে আক্রান্ত হয়ে কাজ করতে না পারায় দীর্ঘদিন ধরে অভাব-অনটনে দিন কাটছে তার।
গোলজারের সঙ্গে থাকেন তার বয়স্ক মা ও একমাত্র ছেলে। স্ত্রী অভাবের তাড়নায় ছেলেকে নিয়ে চলে যাওয়ায় তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন। প্যারালাইসিসে আক্রান্ত মা মোছা. গোলাপজান বেগমের নিয়মিত চিকিৎসা–ওষুধের খরচ এই পরিবারের বোঝা আরও বাড়ায়। অন্যের বাড়িতে কাজ করে যা পান, তা দিয়েই কোনোমতে চলছে পরিবারটির দিন।
অসহায় এই পরিবারকে নিয়ে দৈনিক নিখাদ খবর ও বাংলা মেইলে সংবাদ করেন সাংবাদিক এম জি রাব্বুল ইসলাম পাপ্পু। এরপর মানবিক সংগঠন আর্ন অ্যান্ড লিভ ফাউন্ডেশন এগিয়ে আসে তাদের পাশে। সংগঠনের চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন জেসি প্রথমে এক মাসের বাজারসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করেন।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে গোলজার হোসেন ও তার মায়ের হাতে একটি গাভী তুলে দেওয়া হয়। গাভী পেয়ে আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তারা।
অসহায় এই পরিবারের পাশে আরও দাঁড়িয়েছেন দৈনিক প্রলয় পত্রিকার সম্পাদক লায়ন মির্জা সোবেদ আলী। তিনি একটি মোবাইল ফোন, টিন এবং আর্থিক সহায়তা দেন গোলজারকে।
সহায়তা পেয়ে গোলজার হোসেন, তার মা ও পরিবারের সদস্যরা আর্ন অ্যান্ড লিভ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন জেসি, লায়ন মির্জা সোবেদ আলী এবং সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিক এম জি রাব্বুল ইসলাম পাপ্পুর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও দোয়া জানান।





