বার্মিংহামের উইনসন গ্রিনে অবস্থিত কারাগারে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচার বন্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে বলে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন এক করনার।
বার্মিংহাম ও সলিহালের এরিয়া করনার এমা ব্রাউন মিনিস্ট্রি অব জাস্টিসকে পাঠানো ‘প্রিভেনশন অব ফিউচার ডেথস’ রিপোর্টে জানিয়েছেন, জাতীয়ভাবে চলমান কারাগারে মাদক ঢোকার সমস্যার প্রেক্ষাপটে উইনসন গ্রিন জেলেও “ভবিষ্যতে মৃত্যুর ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি”।
এই সতর্কবার্তা এসেছে বন্দি ডেরিয়ন অ্যাডামসের মৃত্যু–পরবর্তী তদন্তের পর। ২৯ বছর বয়সী অ্যাডামসকে গত বছরের ৩১ অক্টোবর তার সেলের ভেতর হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। সেলের পাশে পাওয়া যায় বিকৃত বা পরিবর্তিত (tampered) ভেপস, যেখানে ‘স্পাইস’ নামে পরিচিত সিন্থেটিক ক্যানাবিনয়েডের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছিল।
অ্যাডামসের পরিবার তাকে ‘সংবেদনশীল মন’ বলে বর্ণনা করেছে। মাদকাসক্তির ইতিহাস থাকা অ্যাডামস ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে কারাগারে প্রবেশের মাত্র ছয় মাস পরেই মারা যান।
গত মাসে অনুষ্ঠিত ইনকোয়েস্টে বলা হয়, স্পাইস সেবনের জটিলতার ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর দিন কারাগারের ওই উইংয়ে মাদক–সম্পর্কিত ঘটনার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি ছিল “অরাজক”, এবং সেই সঙ্গে জনবল সংকটের কারণে অ্যাডামসের অবস্থার দিকে নজর দিতে ও দ্রুত সাড়া দিতে দেরি হয়।
রিপোর্টে করনার এমা ব্রাউন লিখেছেন: “আমার মতে, ভবিষ্যতে মৃত্যু ঠেকাতে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার এবং আপনারা সে ক্ষমতা রাখেন। ইনকোয়েস্ট চলাকালীন যে তথ্য উঠে এসেছে তা উদ্বেগজনক। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে আরও মৃত্যু ঘটতে পারে।”
রিপোর্টটি মিনিস্ট্রি অব জাস্টিস, ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।





