কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনী লড়াই থেকে ছিটকে পড়েছেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি। ঋণখেলাপীর দায়ে শেষে আপিলে তার প্রার্থীতা বাতিল হয়েছে। ফলে এই আসনে ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহর জয় এখন নিশ্চিত বলা যায়। তবে সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রচার করছেন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখ হাসনাত আব্দুল্লাহ। বাস্তবে এমনটা ঘটছে না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো আসনেই ভোটের আগে কারও জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে ভোটের লড়াইয়ে নামতে হবে হাসনাত আব্দুল্লাহকেও। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসবে থাকছেন দু’জন প্রার্থী। তারা হলেন গণঅধিকার পরিষদের জসিম উদ্দিন ও ইনসানিয়াত বাংলাদেশের ইরফানুল হক সরকার। এছাড়াও এই আসনে প্রার্থী ছিলেন খেলাফত মজলিসের মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোফাজ্জল হোসেন। দশ দলীয় সমঝোতায় এই দু’জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন।
কোনো কারণে গণঅধিকার পরিষদ ও ইনসানিয়াতের প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও ভোটের আগেই সংসদ সদস্য বিবেচিত হবে না হাসনাত আব্দুল্লাহ। একক প্রার্থী নিয়েও নির্বাচন হবে কুমিল্লা-৪ আসনে। সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী কোনো আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকলে সেই আসনে ‘না’ ভোটের সঙ্গে লড়তে হবে একক প্রার্থীকে। প্রার্থী পছন্দ না হলে ভোটাররা ‘না’ ভোট দিতে পারবেন।
কুমিল্লা-৪ আসন না ভোটে গড়ানোর সম্ভাবনা নেই। কোনো কারণে এমনটি হলে কপালে চিন্তার ভাজরেখা পড়বে হাসনাতের।





