বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করেছেন ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হবে। গোটা বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করে আছে যে ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হবে। নির্বাচনের আগেই জনগণ তারেক রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছে। গোটা বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করে আছে আমাদের নেতা তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন। তিনি আসবেন আমাদের নেতৃত্ব দেবেন, আমাদের পথ দেখাবেন।
রবিবার (৩ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর শাহবাগে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মির্জা ফখরুল বলেন, আসুন আজকে আমরা এই শপথ গ্রহণ করি, যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশকে সত্যিকার অর্থেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে স্বপ্ন ছিল, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে স্বপ্ন, সেই স্বপ্নগুলোকে আমরা বাস্তবায়িত করি। একটা সত্যিকার অর্থেই একটা সুখী সুন্দর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করি। আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে বাংলাদেশে বিভক্তি সৃষ্টি করবার। আমাদের পাশের দেশে ভারতবর্ষে এই ফ্যাসিস্ট আশ্রয় নিয়েছে তার লোক নিয়ে সেখান থেকে সে মাঝে মাঝেই হুমকি দিচ্ছে যে তারা বাংলাদেশে আক্রমণ করবে। শুধু তাই নয় এখানে তারা বিভিন্নভাবে গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এই সমাবেশ থেকে আমাদেরকে শপথ নিতে হবে যে, আমরা কোনদিনই আমরা হাসিনাকে আর এই দেশে রাজনীতি করার কোন সুযোগ দিব না। আমাদের শপথ নিতে হবে আমরা কারো কাছে কোনোদিন মাথা নত করব না। আমাদের দেশকে আমরা নিজেরাই স্বয়ং সম্পূর্ণভাবে গড়ে তুলবো, এটার নেতৃত্ব দেবেন আমাদের তারেক রহমান।
‘দেশকে সামনে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব কার’ প্রশ্ন রেখে সমবেত ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই দায়িত্ব হচ্ছে আপনাদের, এই দায়িত্ব হচ্ছে ছাত্রদের। মেধা ও বুদ্ধিমত্তার চর্চা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। মেধা ছাড়া আমরা সামনে যেতে পারবো না। জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা, মেধার চর্চা- এর মধ্য দিয়ে আমাদেরকে সামনের দিকে এগোতে হবে। আমাদের সামনে এখন যে লড়াই তা বাংলাদেশে একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার লড়াই। আমরা সেই লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।




