সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় আকস্মিকভাবে পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনটি বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষককে উপস্থিত পাননি সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। এ ঘটনায় ১২ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন।
সংসদ সদস্য মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মধ্যনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিত পেলেও আবিদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে, দুগনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌনে ১০টার দিকে এবং কায়েতকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টার দিকে গিয়ে কোনো শিক্ষককে পাননি।
পরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেন, সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিশ্চিত করা জরুরি। হাওরাঞ্চলের শিক্ষা পিছিয়ে থাকতে দেওয়া হবে না। এজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিতভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করে তুলতে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেন তিনি।
মধ্যনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলুয়ার হোসেন জানান, সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর অভিযুক্ত ১২ জন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। বিভাগীয় নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




