আন্তর্জাতিক ফুটবলার ও সাবেক ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ তারকা, বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় হামজা চৌধুরীর সম্মানে জাঁকজমকপূর্ণ রিসেপশন ও গালা ডিনারের আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউকে। গত মঙ্গলবার বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানটি তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়।
সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠান শুরুর আগেই অতিথিদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে হলটি। হামজা চৌধুরীর ছবি ও ব্যানারে সাজানো ছিল পুরো মিলনায়তন। তিনি হলে প্রবেশ করলে উপস্থিত শিশু ও অতিথিরা বাংলাদেশের ছোট ছোট পতাকা নাড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।
হামজা চৌধুরীকে বরণ করে নেন হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউকের সভাপতি মাজেদুল হক চৌধুরী মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক এম এ মুন্তাকিম, উপদেষ্টা রানা মিয়া চৌধুরী ও শমশেদ বক্ত চৌধুরী এবং কোষাধ্যক্ষ জিয়া তালুকদার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মুফতি আব্দুল্লাহ চৌধুরী। সভায় সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি মাজেদুল হক চৌধুরী মিন্টু। যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রানা মিয়া চৌধুরী ও জিয়া তালুকদার।
স্বাগত বক্তব্যে সভাপতি হামজা চৌধুরীসহ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পরে বক্তব্যে সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এম এ মুন্তাকিম হামজা চৌধুরী ও তাঁর পরিবারের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে হামজা চৌধুরীকে হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউকের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
দ্বিতীয় পর্বে হামজা চৌধুরীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি হবিগঞ্জের গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় ‘আউটস্ট্যান্ডিং কনট্রিবিউশন টু দ্য মিডিয়া’ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় হবিগঞ্জ সোসাইটি ইউকের উপদেষ্টা ও বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহামের সভাপতি মোহাম্মদ মারুফ আহমেদকে। প্রায় তিন দশকের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চায় যুক্ত থাকা মারুফ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ভয়েস পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এ ছাড়া সদ্য রিপোর্টার্স ইউনিটি ইউকের নির্বাচনে যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় সাংবাদিক এ রহমান অলিকেও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শেষে অতিথিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
শেষ পর্বে ছিল ফটোসেশন ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। হামজা চৌধুরীর সঙ্গে একে একে অতিথিরা ছবি তোলেন। পরে সংগীত পরিবেশনা করেন হামজা চৌধুরীর বাবা দেওয়ান মোরশেদ, অলিউর রহমান অলি, অ্যাডভোকেট মীর গোলাম মোস্তফা এবং বার্মিংহামের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সেবুল।




