ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক তিনবারের এমপি নওয়াব আলী আব্বাছ খানসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ না পাওয়ায় এসব প্রার্থী জামানতের টাকা ফেরত পাবেন না।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ শওকতুল ইসলাম শকু পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩৮১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এম সায়েদ আলী পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৫৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ (কাপ-পিরিচ প্রতীক) পেয়েছেন ২৫ হাজার ৮৮৯ ভোট।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাছ খান (ফুটবল প্রতীক) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭৫৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী জিমিউর রহমান চৌধুরী ম্যান্ডেলা (ঘোড়া প্রতীক) পেয়েছেন ২ হাজার ১৪১ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত একমাত্র নারী প্রার্থী সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী (কাঁচি প্রতীক) পেয়েছেন ৫৯১ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস (হাতপাখা প্রতীক) পেয়েছেন ৫২০ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. আব্দুল মালিক (লাঙ্গল প্রতীক) পেয়েছেন ৪৮৪ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, কুলাউড়ার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১০৩টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩ হাজার ২০ জন। মোট প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮১৯। এর মধ্যে বৈধ ভোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৮ এবং বাতিল ভোট ৪ হাজার ৬০১। ভোটের হার ছিল ৫৬ দশমিক ০৪ শতাংশ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮৩ হাজার ৯৩০ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৭ হাজার ৯৩৫।





